০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইটভাটা শ্রমিকের স্বপ্ন তিনি কাউন্সিলর হবেন

স্বপ্নে দেখতে কোনো বাঁধা নেই। নেই স্বপ্নের কোনো পরিসীমা। তাই, ছেড়া কাঁথায় শুয়েও মানুষ লাখ টাকার স্বপ দেখে। কিন্তু, বিপত্তি হয় স্বপ্ন ভাঙ্গলে। স্বপ্ন ভাঙ্গলেও মানুষ বুঝতে পারে তার আসল পরিচয়।

এমননি এক স্বপ্নে বিভোর মেলান্দহের শাহজাদপুরের ইটভাটা শ্রমিক সুহেল মিয়া (ফকির)।
ছোট বেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল তিনি একদিন মেম্বারী নির্বাচন করবেন। দীর্ঘদিন যাবত লালন করে আসা সে স্বপ্ন পূরণে সুযোগ এসেছে তার। এবার মেলান্দহ পৌরসভা নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বী করছেন তিনি।

অর্থ, প্রতিপত্তি প্রভাবের যুগে, যখন পয়সা ছাড়া কিছুই হয় না, তখন আপনি এ কর্মযজ্ঞ পারি দিবেন কিভাবে? এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, আমার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল, আমি একদিন মেম্বারী নির্বাচন করব। তাই, করছি। জিততে পারলে ভাল না পারলেও দুঃখ নেই। আমার কোনো বাড়তি খরচ নেই। সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে জামানতের টাকা জমা দিয়েছি। আর দুই হাজার টাকার পোস্টার করেছি। এক ভগ্নিপতি মাইক দিয়েছেন আরেকজন রিকসা। তারায় প্রচার করছে। আমি ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছি। কেন্দ্রে পুলিং এজেন্ট থাকবে আমার বোনেরাই। এই-ই আমার নির্বাচন প্রক্রিয়া। নির্বাচন করতে গিয়ে যে কাজ বন্ধ, সংসার চলছে কি করে? উত্তরে তিনি বলেন, ভোটাররা জানেন যে, আমি ইটভাটায় কাজ করি। ভোট চাইতে গেলে তারায় কেউ কেউ আমাকে ৫শ হাজার টাকা করে দেয়। সেই দিয়েই টুক টুক চলছি আর কি?

সাধারণ শ্রমিকের এমন অসাধারণ স্বপ্ন পূরণ হবে কি? এটাই এখন দেখার অপেক্ষা নগরবাসীর।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানার শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

ইটভাটা শ্রমিকের স্বপ্ন তিনি কাউন্সিলর হবেন

প্রকাশিত : ০৯:০২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

স্বপ্নে দেখতে কোনো বাঁধা নেই। নেই স্বপ্নের কোনো পরিসীমা। তাই, ছেড়া কাঁথায় শুয়েও মানুষ লাখ টাকার স্বপ দেখে। কিন্তু, বিপত্তি হয় স্বপ্ন ভাঙ্গলে। স্বপ্ন ভাঙ্গলেও মানুষ বুঝতে পারে তার আসল পরিচয়।

এমননি এক স্বপ্নে বিভোর মেলান্দহের শাহজাদপুরের ইটভাটা শ্রমিক সুহেল মিয়া (ফকির)।
ছোট বেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল তিনি একদিন মেম্বারী নির্বাচন করবেন। দীর্ঘদিন যাবত লালন করে আসা সে স্বপ্ন পূরণে সুযোগ এসেছে তার। এবার মেলান্দহ পৌরসভা নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বী করছেন তিনি।

অর্থ, প্রতিপত্তি প্রভাবের যুগে, যখন পয়সা ছাড়া কিছুই হয় না, তখন আপনি এ কর্মযজ্ঞ পারি দিবেন কিভাবে? এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, আমার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল, আমি একদিন মেম্বারী নির্বাচন করব। তাই, করছি। জিততে পারলে ভাল না পারলেও দুঃখ নেই। আমার কোনো বাড়তি খরচ নেই। সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে জামানতের টাকা জমা দিয়েছি। আর দুই হাজার টাকার পোস্টার করেছি। এক ভগ্নিপতি মাইক দিয়েছেন আরেকজন রিকসা। তারায় প্রচার করছে। আমি ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছি। কেন্দ্রে পুলিং এজেন্ট থাকবে আমার বোনেরাই। এই-ই আমার নির্বাচন প্রক্রিয়া। নির্বাচন করতে গিয়ে যে কাজ বন্ধ, সংসার চলছে কি করে? উত্তরে তিনি বলেন, ভোটাররা জানেন যে, আমি ইটভাটায় কাজ করি। ভোট চাইতে গেলে তারায় কেউ কেউ আমাকে ৫শ হাজার টাকা করে দেয়। সেই দিয়েই টুক টুক চলছি আর কি?

সাধারণ শ্রমিকের এমন অসাধারণ স্বপ্ন পূরণ হবে কি? এটাই এখন দেখার অপেক্ষা নগরবাসীর।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ