ঠিকাদারের নিলাম ডাকে ক্রয় করা বালু রাতারাতি লুট করা হয়েছে।এঘটনায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক ক্ষতিপূরন চেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রতিষ্ঠানের প্যাডে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা গেছে,নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নদনদী,খালবিল ও সরকারি জলাশয়ের খননকৃত পুঞ্জিভুত বালু ও মাটি বিক্রির জন্য সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রসাশন নিলাম দরপত্র আহবান করে। ঢাকার সিয়াম ট্রের্ডাসের মালিক সোহাগ হোসেন বাহাগিলি ইউনিয়নের উচু সন্যাসীপাড়ার ৩৪,৩৫,৩৬ ও ৩৭ নম্বর প্যাকেজের বালুর ৪টি লট নিলাম দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয় করেন। এর মধ্যে ৩৫ ও ৩৬ নম্বর লটে দরপত্রে উল্লেখকৃত ১২ লাখ ২২ হাজার ৭১৫ ও ২ লাখ ৩ হাজার ৯১৫ ঘনফুট বালু থাকার কথা থাকলেও ঠিকাদার সরেজমিনে ১০ ভাগ বালুও পাননি। টেন্ডারের পর বালু খেকো নামে পরিচিত যুগোলগীর সিন্ডিকেট রাতারাতি দুটি লটের বালু লুট করে। ফলে নিলাম ক্রয়কৃত ঠিকাদার লটে বালু না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে। ঠিকাদার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উপজেলা প্রশাসন ও পাউবো কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও কোন রকম সারা পাচ্ছেনা বলে এ প্রতিবেদক কে জানান।
সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণকমল সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ঠিকাদারের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঠিকাদার সরেজমিন দেখে নিলাম দরপত্র ক্রয় করেছে।এখন এসব অভিযোগ করে লাভ নাই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকসানা বেগম জানান, ঠিকাদার বালুর লট দেখে ক্রয় করেছেন, না নাদেখে ক্রয় করেছেন তা জানিনা।তবে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠিকাদার কে বালুর মাপ বুঝে দেয়ার কথা।
ঠিকাদার সোহাগ বলেন, কর্তৃপক্ষ লুট হয়ে যাওয়া বালু আমাকে পুষিয়ে না দিলে প্রায় ৭ লাখ টাকা লোকসানের বোঝা আমার ঘাড়ে চাপবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















