১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পদার্থ বিজ্ঞানের মেধাবী ছাত্র আফির স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার

স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার, কিন্তু হলো না। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই দুইটি কিডনি নষ্ট হয়ে এখন মৃত্যুর অপেক্ষায়। মৃত্যুদূত যেন কড়া নাড়ছে দরজায়। বলছিলাম ঝিনাইদাহ সরকারী কেসি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র আক্তারুল ইসলাম আফির কথা। তিনি ঝিনাইদাহ সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়নের মিয়াকুন্ডু গ্রামের আহাম্মদ আলী ও মোছাঃ ডালিমন নেছা দম্পত্তির ছোট ছেলে। পিতার আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় শহরে টিউশনি করে পড়ালেখা করতেন আফি। এখন সব বন্ধ। মাঠে ছিল ৫ শতক জমি। তাও বন্ধক রেখে ডায়ালিসিস করা হচ্ছে। পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৬ জুন আক্তারুল ইসলাম আফি হঠাৎ বমি করতে থাকেন। ডাক্তার দেখানোর পর তার দুইটি কিডনি নষ্ট হওয়ার কথা জানতে পারে পরিবার। আফি ৫ ভাই তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট এবং আদরের ধন। তিনি ছোট বেলা থেকেই অতান্ত মেধাবী ছিলেন। প্রতিবেশি দাউদ বিশ্বাস জানান, ছেলেটা ছোটকাল থেকেই অত্যান্ত মেধাবী এবং ভদ্র ছিলেন। তার অসুস্থতার খবরে এলাকাবাসি মর্মাহত। এখন তার চিকিৎসায় সবাই এগিয়ে না আসলে তার পরিবারের পক্ষে দুইটি কিডনি পরিবর্তন করা সম্ভব না। আফির বড় বোন মোছা: ববিতা খাতুন জানান, কিডনি ফাউন্ডেশন তার দুইটি কিডনি পরিবর্তনের কথা বলেছে। এ জন্য দরকার প্রায় ১৫ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে পরিবারের সহায় সম্বল বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা ব্যায় করেছেন চিকিৎসায়। তিনি বলেন, আল্লাহ পাকের রহমাত ও সবার প্রচেষ্টা ছাড়া আফির চিকিৎসা সম্ভব নয়। এ জন্য আর্থিক সহায়তা দরকার। আফিকে কেও আর্থিক সহায়তা করতে চাইলে বিকাশ ও রকেট নং ০১৯৮০৫৮৭৩২৬ এবং নগদ একাউন্ট নং ০১৭৮৩৬৫৮৬৮২ যোগাযোগ করতে পারেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানার শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

পদার্থ বিজ্ঞানের মেধাবী ছাত্র আফির স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার

প্রকাশিত : ০৮:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়ার, কিন্তু হলো না। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই দুইটি কিডনি নষ্ট হয়ে এখন মৃত্যুর অপেক্ষায়। মৃত্যুদূত যেন কড়া নাড়ছে দরজায়। বলছিলাম ঝিনাইদাহ সরকারী কেসি কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র আক্তারুল ইসলাম আফির কথা। তিনি ঝিনাইদাহ সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়নের মিয়াকুন্ডু গ্রামের আহাম্মদ আলী ও মোছাঃ ডালিমন নেছা দম্পত্তির ছোট ছেলে। পিতার আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় শহরে টিউশনি করে পড়ালেখা করতেন আফি। এখন সব বন্ধ। মাঠে ছিল ৫ শতক জমি। তাও বন্ধক রেখে ডায়ালিসিস করা হচ্ছে। পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৬ জুন আক্তারুল ইসলাম আফি হঠাৎ বমি করতে থাকেন। ডাক্তার দেখানোর পর তার দুইটি কিডনি নষ্ট হওয়ার কথা জানতে পারে পরিবার। আফি ৫ ভাই তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট এবং আদরের ধন। তিনি ছোট বেলা থেকেই অতান্ত মেধাবী ছিলেন। প্রতিবেশি দাউদ বিশ্বাস জানান, ছেলেটা ছোটকাল থেকেই অত্যান্ত মেধাবী এবং ভদ্র ছিলেন। তার অসুস্থতার খবরে এলাকাবাসি মর্মাহত। এখন তার চিকিৎসায় সবাই এগিয়ে না আসলে তার পরিবারের পক্ষে দুইটি কিডনি পরিবর্তন করা সম্ভব না। আফির বড় বোন মোছা: ববিতা খাতুন জানান, কিডনি ফাউন্ডেশন তার দুইটি কিডনি পরিবর্তনের কথা বলেছে। এ জন্য দরকার প্রায় ১৫ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে পরিবারের সহায় সম্বল বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা ব্যায় করেছেন চিকিৎসায়। তিনি বলেন, আল্লাহ পাকের রহমাত ও সবার প্রচেষ্টা ছাড়া আফির চিকিৎসা সম্ভব নয়। এ জন্য আর্থিক সহায়তা দরকার। আফিকে কেও আর্থিক সহায়তা করতে চাইলে বিকাশ ও রকেট নং ০১৯৮০৫৮৭৩২৬ এবং নগদ একাউন্ট নং ০১৭৮৩৬৫৮৬৮২ যোগাযোগ করতে পারেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ