সৌভাগ্যক্রমে খুনির হাত থেকে বেঁচে যাওয়া শিশু সন্তান আরাফাত (৪) ও ইমির (৯ মাস) দায়িত্ব নিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ।
বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ’র নির্দেশক্রমে জেলা পুলিশের পক্ষ হতে অসহায় শিশু দুটির জন্য উপহার সামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি পৌঁছে দেয়া হয়।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ বলেন, নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন এক পরিবারের মা মেয়েসহ দুইজন। তবে খুনি শিশু দু’টিকে হত্যা করেনি। সৌভাগ্যক্রমে তারা বেঁচে যায়।
তিনি বলেন, মা ও নানীর গলাকাটা লাশের পাশে কাঁদছিল অবুঝ শিশু আরাফাত ও ইমি। শিশু দু’টির পরিবারে এখন আপনজন বলতে কেউ নেই। আত্মীয়-স্বজনও কেউ নেই। শিশুটির দায়িত্ব দেখভালের দায়িত্ব নিয়েছি আমি। আপতত শিশু দু’জন এখন থেকে আমার তত্ত্বাবধানে থাকবে।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার হালগাঁও গ্রামের লোকমান হোসেন তার স্ত্রী ও শাশুড়িকে গত মঙ্গলবার গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে। মা নানীকে হত্যা করলেও শিশু আরাফাত ও ইমি মা ও নানীর মরদেহের পাশে ফেলে রেখে যায় ঘাতক পিতা লোকমান। সেখানে পড়ে কাঁদছিল শিশু দু’জন। সেখান থেকে শিশু দু’জনকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই লোকমানকে আটক করে পুলিশ।
পারিবারিক বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ফারুক আহম্মেদ।
তিনি আরো বলেন, পুলিশের একাধিক টীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। পারিবারিক বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















