০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা

বোরো চাষে ও রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের কালিহাতীর কৃষকরা গত আমন মৌসুমের শেষের দিকে প্রাকৃতিক দূর্যোগে ধানের ফলনে ব্যাপক ক্ষতি হয়।

হতাশাকে দূরে ঠেলে দিয়ে আগের ক্ষতিকে পুষিয়ে নিতে এবার পুরোদমে বোরো ধান চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। এবার বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় চাষে বেশী উৎসাহ দেখা যাচ্ছে কৃষকদের মাঝে। উপজেলার ঘুণী, সিলিমপুর, আউলটিয়া, বর্তা, ব্রজগাতী, পালিমা, কুরুয়া, নারান্দিয়া, সল্লা, দূর্গাপুর, গোহালিয়াবাড়ী, দশকিয়া, এলেঙ্গা, সহদেবপুর, বল্লা, রামপুর, কোকডহড়া, নাগবাড়ী, পারখী এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান চাষ শুরু হয়েছে।

বিদ্যুৎ, তেল, সার সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। উপজেলার বর্তা গ্রামের কৃষক রনজিত মজুমদার বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, গত বছর কয়েক দফায় বন্যার কারণে আমন ধান ঘরে তুলতে পারিনি। তাই এ বোরো মৌসুমে প্রচুর পরিশ্রম করছি ভালো ফসলের আশায়। এ বছর আমি ৮০ শতাংশ জমিতে বোরো চাষ করছি।

এ পর্যন্ত সারের কোন সমস্যা নেই। তবে সারের মূল্য গত বছরের চেয়ে একটু বেশী। কালিহাতী পৌর এলাকার ঘূণী গ্রামের কৃষক শামেস উদ্দিন বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, আমি ১ একর জমিতে বোরো আবাদ করছি। এ মৌসুমে কামলার দাম মেলা বেশী, ৫শ’ থেকে ৬শ’ টেহা পর্যন্ত তাগো বেতন দিতে হয়। তারপরেও কামলা পাই না।

কালিহাতী উপজেলা কৃষি অফিসার শহিদুল ইসলাম বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, এ বছর ১৭ হাজার ৫৫৯ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সারের কোনরকম সমস্যা নেই। চলতি ফেব্রুয়ারী মাসে ১ হাজার ৪৫১ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার ডিলারদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং ৭৩০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ আছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত : ১০:২৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বোরো চাষে ও রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের কালিহাতীর কৃষকরা গত আমন মৌসুমের শেষের দিকে প্রাকৃতিক দূর্যোগে ধানের ফলনে ব্যাপক ক্ষতি হয়।

হতাশাকে দূরে ঠেলে দিয়ে আগের ক্ষতিকে পুষিয়ে নিতে এবার পুরোদমে বোরো ধান চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। এবার বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় চাষে বেশী উৎসাহ দেখা যাচ্ছে কৃষকদের মাঝে। উপজেলার ঘুণী, সিলিমপুর, আউলটিয়া, বর্তা, ব্রজগাতী, পালিমা, কুরুয়া, নারান্দিয়া, সল্লা, দূর্গাপুর, গোহালিয়াবাড়ী, দশকিয়া, এলেঙ্গা, সহদেবপুর, বল্লা, রামপুর, কোকডহড়া, নাগবাড়ী, পারখী এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান চাষ শুরু হয়েছে।

বিদ্যুৎ, তেল, সার সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। উপজেলার বর্তা গ্রামের কৃষক রনজিত মজুমদার বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, গত বছর কয়েক দফায় বন্যার কারণে আমন ধান ঘরে তুলতে পারিনি। তাই এ বোরো মৌসুমে প্রচুর পরিশ্রম করছি ভালো ফসলের আশায়। এ বছর আমি ৮০ শতাংশ জমিতে বোরো চাষ করছি।

এ পর্যন্ত সারের কোন সমস্যা নেই। তবে সারের মূল্য গত বছরের চেয়ে একটু বেশী। কালিহাতী পৌর এলাকার ঘূণী গ্রামের কৃষক শামেস উদ্দিন বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, আমি ১ একর জমিতে বোরো আবাদ করছি। এ মৌসুমে কামলার দাম মেলা বেশী, ৫শ’ থেকে ৬শ’ টেহা পর্যন্ত তাগো বেতন দিতে হয়। তারপরেও কামলা পাই না।

কালিহাতী উপজেলা কৃষি অফিসার শহিদুল ইসলাম বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, এ বছর ১৭ হাজার ৫৫৯ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সারের কোনরকম সমস্যা নেই। চলতি ফেব্রুয়ারী মাসে ১ হাজার ৪৫১ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার ডিলারদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং ৭৩০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ আছে।