এবার জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উন্মোচিত হলো অপারেশন সুন্দরবন সিনেমাটির টিজার ও ওয়েবসাইট। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে সিনেমাটির জনপ্রিয় তারকা ও কলাকুশলীদের উপস্থিতিতে এক ঝলমলে আয়োজনে টিজার ও ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।
ছবিটির পরিচালক দীংকর দীপন জানান এই ছবির শুটিংয়ে ১৩০০ নেপথ্য শিল্পী কাজ করেছেন, যা একটি মহাযজ্ঞ বলে মনে করেন তিনি। সংখ্যাটি উপস্থিত দর্শক যাতে ভুল না শোনে এ জন্য তিনি দ্বিতীয়বার বলেন, আপনারা ভুল শোনেননি ১৩০০ ব্যাকগ্রাউন্ড আর্টিস্ট কাজ করেছে অপারেশন সুন্দরবন সিনেমায়। ঢাকা অ্যাটাক ও অপারেশন সুন্দরবনের পর এই বাহিনীকে আরো একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন।
টিজার ও ওয়েবসাইটের উদ্বোধনের পর আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেন, সুন্দরবন অঞ্চলটি জলদস্যু আক্রান্ত ছিল। বিশেষ করে মৎস্য আহরণের মৌসুমে জলদস্যুর হাতে হত্যা বা নিপীড়নের শিকারের খবর আসত প্রতিনিয়ত। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর এ ধরনের নির্যাতন নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ২০১২ সাল থেকে র্যাব অন্যান্য বাহিনীর সহযোগিতায় অভিযান শুরু করে। ধারাবাহিক অভিযানে বিপুলসংখ্যক জলদস্যু গ্রেপ্তার হন এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক জলদস্যু র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।
গল্পটি যতটা সহজভাবে বলছি, বাস্তবে এতটা সহজ নয়। সেখানকার পরিস্থিতি কতটা চ্যালেঞ্জিং, সেখানে না গেলে বোঝা যায় না। এক দিন-দুদিন পরিবারের সঙ্গে সুন্দরবনে অবকাশ যাপন আর ভেতরে অবস্থান করে জলদস্যুর বিরুদ্ধে অপারেশন পৃথক ঘটনা। জলদস্যুদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানে র্যাবের একাধিক সদস্য-কর্মকর্তা আহত হয়েছেন, অসুখে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পেছনে বহু ত্যাগ আছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


























