গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাতলামারী গ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন প্রতিবন্ধী সাদিকের পাশে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিলেন মানবিক পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম। প্রত্যন্ত ওই কাতলামারী গ্রামে গতকাল বুধবার সকালে তার বাড়িতে গিয়ে সাদিক ও তার বৃদ্ধ দাদীর খোঁজ খবর নেন। পাশাপাশি তাদের পরিবারের জন্য চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী উপহার তুলে দেন সাদিকের বৃদ্ধ দাদী রহিমার হাতে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনর্চাজ কাওছার আলী, তদন্ত কমর্কতা তাজুল ইসলাম, টিআই (এডমিন) নুর আলম সিদ্দিক, গাইবান্ধা সরকারী কলেজের অধ্যাপক ও দূর্বার গাইবান্ধা উপদেষ্টা কাইয়ুম আজাদ, মানবাধিকার কর্মী সালাউদ্দিন কাশেম, নাজিম আহম্মেদ রানা, ইউপি সদস্য সবুর সরদারসহ স্থানীয়রা।
এসময় পুলিশ সুপার বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বন্যা, করোনাকালীন সময়সহ বিভিন্ন সময়ে জেলা পুলিশ এই মানবিক কাজগুলো করে আসছে। তারাই ধারাবাহিকতায় এই অসহায় পরিবারটিকে আমরা চিকিৎসাসহ সব ধরণের সহযোগীতার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।
র্দীঘ ১০ বছর ধরে মোটা কাপড়ের দড়ি দিয়ে বেধে রাখা হয় সাদিককে। সে কখনও কুড়ে ঘরে আবার কখনও বাড়ির উঠানে শুয়ে বসে থেকে মানবেতর জীবন যাপন করছে মা-বাবা হারা এই প্রতিবন্ধী ছেলেটি। জন্মের পরে বাবা মারা যান এবং অন্যাত্ররে মা চলে যাওয়া বর্তমানে একমাত্র বৃদ্ধ দাদী রহিমা বেওয়ার কাছে আছেন সাদিক। সম্প্রতিক বেশ কিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বুধবার পুলিশ সুপার সাদিকের বাড়িতে যান।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর






















