১০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়ায় শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল ভাংচুর

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকায় হামিম নামের ৮ বছরের শিশু খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে বাড়ীর পাশে পুকুর পারে খেলতে যেয়ে হামিম পানিতে পড়ে ডুবে মারা যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ময়না তদন্তের জন্য শিশুটিকে মর্গে পাঠালে সেখানে শিশুটি নড়েচড়ে উঠেছে বলে আত্মীয় স্বজনরা ওই শিশু জীবিত আছে বলে হৈচৈ শুরু করে। পরে পূনরায় শিশুটিকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ইসিজি করার জন্য নিয়ে আসা হয়। সেখানে ইসিজি করাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে হট্টগোল শুরু করে রোগীর স্বজনসহ উপস্থিত লোকজন। এক পর্যায়ে তারা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করতে থাকতে। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ডাক্তাররা পূণরায় শিশুটির ইসিজি করায় এবং তাকে মৃত যোষণা করে। এবিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার বলেন, আমি নিজে শিশুটিকে পরিক্ষা করে দেখে মৃত ঘোষণা করে লাশ মর্গে পাঠায়। সেখানে শিশুটির পেটে চাপ দিলে পানি বের হওয়ায় শিশুটির স্বজনরা মনে করেন তার বাচ্চা জীবিত আছে। পরে শিশুটিকে ইমারজেন্সী তে নিয়ে আসলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এখন সবকিছু স্বাভাবিক আছে। আমরা শিশুটির ইসিজি করেছি এবং লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত হামিম (৮) কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকার হারুনের ছেলে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেবিদ্বারের বারুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে হিন্দু সম্প্রদায়

কুষ্টিয়ায় শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল ভাংচুর

প্রকাশিত : ০৮:২৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকায় হামিম নামের ৮ বছরের শিশু খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে বাড়ীর পাশে পুকুর পারে খেলতে যেয়ে হামিম পানিতে পড়ে ডুবে মারা যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ময়না তদন্তের জন্য শিশুটিকে মর্গে পাঠালে সেখানে শিশুটি নড়েচড়ে উঠেছে বলে আত্মীয় স্বজনরা ওই শিশু জীবিত আছে বলে হৈচৈ শুরু করে। পরে পূনরায় শিশুটিকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ইসিজি করার জন্য নিয়ে আসা হয়। সেখানে ইসিজি করাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে হট্টগোল শুরু করে রোগীর স্বজনসহ উপস্থিত লোকজন। এক পর্যায়ে তারা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করতে থাকতে। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ডাক্তাররা পূণরায় শিশুটির ইসিজি করায় এবং তাকে মৃত যোষণা করে। এবিষয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার বলেন, আমি নিজে শিশুটিকে পরিক্ষা করে দেখে মৃত ঘোষণা করে লাশ মর্গে পাঠায়। সেখানে শিশুটির পেটে চাপ দিলে পানি বের হওয়ায় শিশুটির স্বজনরা মনে করেন তার বাচ্চা জীবিত আছে। পরে শিশুটিকে ইমারজেন্সী তে নিয়ে আসলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এখন সবকিছু স্বাভাবিক আছে। আমরা শিশুটির ইসিজি করেছি এবং লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত হামিম (৮) কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া এলাকার হারুনের ছেলে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ