০৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকায় ২০২০ সালে বায়ুদূষণ ‘আশঙ্কাজনকভাবে’ বেড়েছে

গত বছর রাজধানী ঢাকা শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ১০ শতাংশ হারে বেড়েছে বলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) সমীক্ষায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার (২০ মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই গবেষণা ফলাফল তুলে ধরেন বাপার যুগ্ম সম্পাদক ও ক্যাপসের পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার। তিনি জানান, ঢাকার ৭০টি স্থানে এই সমীক্ষা চালিয়ে প্রাপ্ত তথ্য পাওয়া গেছে।

ড. আহমদ কামরুজ্জমান বলেন, ঢাকায় ২০২০ সালে ৭০টি স্থানের গড় বস্তুকণা ২ দশমিক ৫ ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৩৩৫ দশমিক ৪ মাইক্রোগ্রাম। ভূমি ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে একই বছরে ৫টি এলাকার বস্তুকণা ২ দশমিক ৫ গড় মান ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৩৩৫ দশমিক ৪ মাইক্রোগ্রাম যা ২০১৯ সালের তুলনায় প্রায় ১০ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।

তিনি আরও বলেন, সমীক্ষায় দেখা গেছে পুরান ঢাকার আশপাশের এলাকায় বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি। আর আবাসিক এলাকাগুলো যেমন- ধানমন্ডি, গুলশান, বাড্ডা ও বনানীতে দূষণের মাত্রা বেড়েছে । যেখানে ২০১৯ সালে এসব আবাসিক এলাকায় দূষণের মাত্রা অনেকটাই কম ছিল।

এদিকে ২০২০ সালে ২০২০ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বেশকিছু এলাকায় দূষণের মাত্রা কম ছিল। সেগুলো হলো -মিরপুর, মোহাম্মদপুর, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা।

গবেষণায় ঢাকার ১০টি সংবেদনশীল, ২০টি আবাসিক, ১৫টি বাণিজ্যিক, ২০টি মিশ্র এবং ৫টি শিল্প এলাকার বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করা হয়। যেখানে ঢাকার বাতাসে অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণা আড়াই শতাংশের পরিমাণ, যা তুলনামূলকভাবে বেশি। এগুলো সাধারণত জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো অর্থাৎ যানবাহন, শিল্পকারখানা ও বর্জ্য পোড়ানো থেকে সৃষ্টি হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর উপাচার্য স্থপতি অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী সারওয়ার ইমতিয়াজ হাশমী, বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব, মিহির বিশ্বাস এবং বাপা’র বায়ু, শব্দ ও দৃষ্টিদূষণ কমিটির সহআহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ১০০০তম বোর্ড সভা

ঢাকায় ২০২০ সালে বায়ুদূষণ ‘আশঙ্কাজনকভাবে’ বেড়েছে

প্রকাশিত : ১২:০১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মার্চ ২০২১

গত বছর রাজধানী ঢাকা শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ১০ শতাংশ হারে বেড়েছে বলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) সমীক্ষায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার (২০ মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই গবেষণা ফলাফল তুলে ধরেন বাপার যুগ্ম সম্পাদক ও ক্যাপসের পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার। তিনি জানান, ঢাকার ৭০টি স্থানে এই সমীক্ষা চালিয়ে প্রাপ্ত তথ্য পাওয়া গেছে।

ড. আহমদ কামরুজ্জমান বলেন, ঢাকায় ২০২০ সালে ৭০টি স্থানের গড় বস্তুকণা ২ দশমিক ৫ ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৩৩৫ দশমিক ৪ মাইক্রোগ্রাম। ভূমি ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে একই বছরে ৫টি এলাকার বস্তুকণা ২ দশমিক ৫ গড় মান ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৩৩৫ দশমিক ৪ মাইক্রোগ্রাম যা ২০১৯ সালের তুলনায় প্রায় ১০ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।

তিনি আরও বলেন, সমীক্ষায় দেখা গেছে পুরান ঢাকার আশপাশের এলাকায় বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি। আর আবাসিক এলাকাগুলো যেমন- ধানমন্ডি, গুলশান, বাড্ডা ও বনানীতে দূষণের মাত্রা বেড়েছে । যেখানে ২০১৯ সালে এসব আবাসিক এলাকায় দূষণের মাত্রা অনেকটাই কম ছিল।

এদিকে ২০২০ সালে ২০২০ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বেশকিছু এলাকায় দূষণের মাত্রা কম ছিল। সেগুলো হলো -মিরপুর, মোহাম্মদপুর, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা।

গবেষণায় ঢাকার ১০টি সংবেদনশীল, ২০টি আবাসিক, ১৫টি বাণিজ্যিক, ২০টি মিশ্র এবং ৫টি শিল্প এলাকার বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করা হয়। যেখানে ঢাকার বাতাসে অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণা আড়াই শতাংশের পরিমাণ, যা তুলনামূলকভাবে বেশি। এগুলো সাধারণত জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো অর্থাৎ যানবাহন, শিল্পকারখানা ও বর্জ্য পোড়ানো থেকে সৃষ্টি হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর উপাচার্য স্থপতি অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী সারওয়ার ইমতিয়াজ হাশমী, বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব, মিহির বিশ্বাস এবং বাপা’র বায়ু, শব্দ ও দৃষ্টিদূষণ কমিটির সহআহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম মোল্লা।