কিছু ধারা-উপধারায় পরিবর্তন ও সংযোজন করে পাবলিক ইস্যু রুল-২০১৫ এর পরিবর্তনে খসড়া প্রণয়ন করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। এতে আবারও প্লেসমেন্টের সুযোগ তৈরি হবে। পরিবর্তন আসছে কোটা পদ্ধতিতেও। বেশকিছু ধারা নিয়ে বিশ্লেষকদের মাঝে আছে মত পার্থক্য। আইন চূড়ান্ত করার আগে সব পক্ষের সাথে আলোচনার পরামর্শ তাদের।
বেশকিছু ধারা-উপধারায় পরিবর্তন ও সংযোজন করে পাবলিক ইস্যু রুল ২০১৫ এর পরিবর্তন আনতে, খসড়া প্রণয়ন করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
এতে দেখা যায়, মূলধন সংগ্রহে আবারও শেয়ার প্লেসমেন্টের সুযোগ পাচ্ছেন উদ্যোক্তা-পরিচালকরা। পরিশোধিত মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শেয়ার প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা যাবে। এসব শেয়ার ২ বছর লকইনে থাকবে।
আর পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের জন্য আবেদনের আগের দুই বছর বোনাস ছাড়া পরিশোধিত মূলধন না বাড়ানোর শর্তও আরোপ করা হয়। একইসাথে কোম্পানি হিসাবে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও কর প্রদাণের চালানের সার্টিফাইড কপি জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা দেয়া হয়েছে।
শেয়ার বিতরণে কোটা ব্যবস্থারও পরিবর্তন আনা হয়েছে নতুন খসড়ায়। সাধারণ বিনিয়োগকারিরা পাবেন ৭০ শতাংশ, আর ৩০ শতাংশ পাবেন যোগ্য বিনিয়োগকারিরা। তবে ফিক্সড প্রাইসের ক্ষেত্রে যোগ্য বিনিয়োগকারিদের ৩০ শতাংশের মধ্যে ১০ শতাংশ পাবে মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
এছাড়াও পরিশোধিত মূলধনের ভিত্তিতে শেয়ার ছাড়ার ন্যূনতম সীমা নির্ধারণ করা হয়। যার ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য কমপক্ষে ১০ শতাংশ শেয়ার আইপিওতে ছাড়তে হবে।
পাবলিক ইস্যু রুল ২০১৫ এর খসড়া নিয়ে আছে বিশ্লেষকদের মধ্যে আছে ভিন্ন মত। খসড়া চূড়ান্ত করার আগে খাত সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করা পরামর্শও বিশ্লেষকদের।
























