ব্রেক্সিট-পরবর্তী চুক্তির অংশ হিসেবে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, গ্রিন এনার্জি এবং অবকাঠামো খাতে আবুধাবি কয়েক বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। তেল ও গ্যাসের বাইরে অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করছে আবুধাবি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যতম সক্রিয় তহবিল মুবদালা পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে জীববিজ্ঞানে ৮০ কোটি ডলার দেবে বলে যুক্তরাজ্যের ফিনান্সিয়াল টাইমস পত্রিকা জানিয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে অন্য তিনটি খাতে বিনিয়োগ একই ধরনের হবে। সংবাদপত্রটি বলেছে, মোট বিনিয়োগের সঠিক আকার এখনও পরিষ্কার নয়, তবে প্রস্তাব অনুযায়ী ৫ বিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগমন্ত্রী লর্ড গেরি গ্রিমস্টোন এই খাতগুলোতে সমান বা আরও ভালো বিনিয়োগের প্রত্যাশা করছেন। তিনি বলেন, আমরা মনে করি ভবিষ্যতের সুযোগগুলো বৃহৎ হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দেয়া প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ব্রিটিশ সরকারও জীববিজ্ঞানে ২০ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগ করবে।
লর্ড গ্রিমস্টোন, ফিনান্সিয়াল টাইমসকে লন্ডনের বাইরের শিল্পাঞ্চলসহ পুরো ব্রিটেনজুড়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে এমন বিনিয়োগের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাজ্য চারটি আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র তৈরি করছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক সেক্রেটারি অব স্টেট লিজ ট্রস সোমবার (২২ মার্চ) বলেছেন, এই বাণিজ্য কেন্দ্রগুলো হবে এডিনবার্গ, কার্ডিফ, বেলফাস্ট এবং ডার্লিংটন।
সরকার বলেছে, নতুন কেন্দ্রগুলো মহামারি থেকে পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রসারে পরামর্শ ও সহায়তা দেবে। প্রধান বাণিজ্য বাজারে প্রবেশ এবং রফতানি বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞ অবশ্য বলেছেন, নতুন বাণিজ্যকেন্দ্রের স্থান নির্বাচনে ভুল হয়েছে।
সাম্প্রতিক বাজেটে জীববিজ্ঞান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছিল। মি. সুনাক একটি জাতীয় অবকাঠামো ব্যাংক গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন যা মূলত সবুজ প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগ করবে।

























