০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী আমাকে কত সুন্দর ঘর দিয়েছে: দৃষ্টি প্রতিবন্ধি তোরাব আলী

মো. তোরাব আলী। বয়স ৫২ বছর। ৫ বছর বয়সে ট্রাইফয়েডে তার দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। পরিবারের অস্বচ্ছলতার কারনে তার বাবা মা উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেনি। মাত্র দুই শতাংশ জমিতে তারা দুই ভাই বসবাস করতেন। দুই চোখ অন্ধ থাকায় কোন কাজ তিনি করতে পারেন না। সে অন্যের কাছ থেকে চেয়ে সহযোগিতা নিয়ে চলে। তারও সংসারে দুই মেয়ে ও দুই ছেলে। তার পরিবারের তেমন মাথা গোজার ঠাই ছিলো না। পরিবারের সদস্যদের ঠাই করতে তিনি সব সময় ভাবতেন। কিভাবে পরিবারের সদস্যদের বসবাসের ব্যবস্থা করবেন। চলতি বছরে মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ঘাটাইল উপজেলার কদমতলী গ্রামে তাকে জমিসহ ঘর দেওয়া হয়েছে। ঘর পেয়ে তিনি আনন্দে আত্মহারা। শুধু তোরাব আলী নয় তার মতো টাঙ্গাইল জেলায় ২১৮৫ গৃহহীনদের মাঝে ঘর বরাদ্দ এসেছে। ইতিমধ্যে ৬১৩ জনের মধ্যে ঘর বিতরণ করা হয়েছে।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধি তোরাব আলী বলেন, আমার তেমন কোন ঠিকানা ছিলো না। আমার এ অবস্থা দেখে প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘর দেওয়া হয়েছে। ঘরের দেয়ালে, দরজা ও জানালায় হাত দিয়ে বুঝি প্রধানমন্ত্রী আমাকে কত সুন্দর ঘর দিয়েছে। আমার চোখ দিয়ে এতো সুন্দর ঘর দেখতে পারলে আমার আরো বেশি ভাল লাগতো। প্রধানন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায় কামনা করছি।

বুধবার (২৪ মার্চ) আশ্রয়ন প্রকল্প-২ পরিদর্শনকালে এ সব তথ্য জানা যায়। আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব হোসেন, টাঙ্গাইল-৩ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, ঘাটাইলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, মুজিবশত বর্ষ উপলক্ষে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। তার মধ্যে সারা জাগানো উদ্যোগে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর মাধ্যমে গৃহহীণদের ঘর প্রদান। সেই প্রকেল্পর আওতায় টাঙ্গাইল জেলায় ২১৮৫টি ঘর বরাদ্দ এসেছে। সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজসহ সকল শ্রেণীর পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে উপকারভোগি নির্বাচন করা হয়েছে। একেক একটি ঘর গ্রহহীন মানুষের স্বপ্ন। গ্রহহীনরা পাকা দালান পাবে এটি তারা কখনও কল্পনাও করেনি। ঘর পেয়ে তারা আনন্দে আত্মহারা।

সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকারি খাস জমি প্রভাবশালীদের দখল থেকে উদ্ধার আশ্রয়ন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে। ঘর হস্তান্তরের বিষয়ে গৃহহীন নারী, ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠি ও তৃতীয় লিঙ্গের যারা গৃহহীন রয়েছে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ তাদের বরাদ্দ থেকে থেকে সহযোগিতা করে নলকুপ রাস্তা ঘাটসহ গৃহহীনদের জীবন যাপনের উপকরণ বিতরণ করেছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় ২৪ টি, মধুপুরে ২২ টি, গোপালপুরে ৬৮ টি, ভ‚ঞাপুরে ৮২ টি, ঘাটাইলে ১১২ টি, কালিহাতীতে ৩৫ টি, টাঙ্গাইল সদরে ১৫০ টি, নাগরপুরে ১৬ টি, দেলদুয়ারে ২০ টি, মির্জাপুরে ৫০ টি, বাসাইলে ৯ টি ও সখীপুরে ১৯ টি ঘরের সনদসহ কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়।

কদমতলী গ্রামের অপর উপকারভোগি হামিদা বেগম বলেন, ৩০ বছর আগে আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। স্বামী চলে যাওয়ায় মামার বাড়িতে বসবাস করতাম। মামামামি মারা যাওয়ার পর মামাতো ভাইয়েরা অনেক কথা বলেছে আমাকে। আমাকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। আমার কষ্ট দেখে আমাদের গ্রামের মেম্বার চেয়ারম্যানরা আমাকে একটি জমিসহ ঘর দিয়েছে। ঘর পেয়ে আমি খুব খুশি হয়েছি। আমার একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে আমার আরো উপকার হতো।
উপকারভোগি জোৎনা বেগত বলেন, আমার স্বামী দিন মজুরের কাজ করে। টাকা পয়সা না থাকায় ২০ বছর অন্যের বাড়িতে বসবাস করছি। আমাদেরও যেমন ঠিকানা ছিলো না ঠিক তেমনি আমার অনার্স পড়–য়া ছেলে ও ১০ বছরের মেয়ের কোন আশ্রয়স্থল ছিলো না। ঘরে পেয়ে আমাদের সবার ঠিকানা হয়েছে। আমার ছেলের একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে ভাল হয়।
রমেছা বেগম বলেন, এতো দিন অন্যের বাড়িতে খুব কষ্ট করে বসবাস করেছি। বসবাস নিয়ে খুব দুঃচিন্তায় ছিলাম। এখন তাও শান্তিতে ঘুমাতে পারি। নিশ্চিন্তে বসবাসও করতে পারি। আমাকে ঘর দেওয়ায় শেখের বেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান বলেন, একটা আশ্রয়ের ব্যবস্থা থাকলে মানুষ তার জীবন ও জীবিকার জন্য কিছু করতে পারেন। আর যার আশ্রয় নেই সে কি করে কাজ করবে। এ সব কথা চিন্তা করে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধি ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্কভাতা, স্বামী পরিত্যাক্ত ভাতা সহ সকল সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মানবতার ছাপ রেখে যাচ্ছেন।

প্রকল্প পরিচালক মাহবুব হোসেন বলেন, যাদের কেউ নেই, থাকার কোন ব্যবস্থা নেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিলো জন্য মাথা গোজার ঠাই করে দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু ঘর দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেননি। তারা কেমন আছেন, তাদের আয়ের উৎস হয়েছে কিনা তাদের সার্বিক খোঁজ খবর নিয়ে উপকারভোগিদের জন্য ভাল কিছু করতে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করতে এসেছি।

তিনি আরো বলেন, প্রথম পর্যায়ে দেশব্যাপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭০ হাজার ঘর হস্তান্তর করেছেন। সব মিলে বাংলাদেশে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৯৩ টি গৃহহীনদের জন্য ঘর দেওয়া হবে। বেশির ভাই শেষ পর্যায়ে। বাকি গুলো এপ্রিল অথবা মে’র প্রথম দিকে উদ্বোধন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেবিদ্বারের বারুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে হিন্দু সম্প্রদায়

প্রধানমন্ত্রী আমাকে কত সুন্দর ঘর দিয়েছে: দৃষ্টি প্রতিবন্ধি তোরাব আলী

প্রকাশিত : ০৯:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১

মো. তোরাব আলী। বয়স ৫২ বছর। ৫ বছর বয়সে ট্রাইফয়েডে তার দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। পরিবারের অস্বচ্ছলতার কারনে তার বাবা মা উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেনি। মাত্র দুই শতাংশ জমিতে তারা দুই ভাই বসবাস করতেন। দুই চোখ অন্ধ থাকায় কোন কাজ তিনি করতে পারেন না। সে অন্যের কাছ থেকে চেয়ে সহযোগিতা নিয়ে চলে। তারও সংসারে দুই মেয়ে ও দুই ছেলে। তার পরিবারের তেমন মাথা গোজার ঠাই ছিলো না। পরিবারের সদস্যদের ঠাই করতে তিনি সব সময় ভাবতেন। কিভাবে পরিবারের সদস্যদের বসবাসের ব্যবস্থা করবেন। চলতি বছরে মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ঘাটাইল উপজেলার কদমতলী গ্রামে তাকে জমিসহ ঘর দেওয়া হয়েছে। ঘর পেয়ে তিনি আনন্দে আত্মহারা। শুধু তোরাব আলী নয় তার মতো টাঙ্গাইল জেলায় ২১৮৫ গৃহহীনদের মাঝে ঘর বরাদ্দ এসেছে। ইতিমধ্যে ৬১৩ জনের মধ্যে ঘর বিতরণ করা হয়েছে।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধি তোরাব আলী বলেন, আমার তেমন কোন ঠিকানা ছিলো না। আমার এ অবস্থা দেখে প্রধানমন্ত্রীর একটি ঘর দেওয়া হয়েছে। ঘরের দেয়ালে, দরজা ও জানালায় হাত দিয়ে বুঝি প্রধানমন্ত্রী আমাকে কত সুন্দর ঘর দিয়েছে। আমার চোখ দিয়ে এতো সুন্দর ঘর দেখতে পারলে আমার আরো বেশি ভাল লাগতো। প্রধানন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায় কামনা করছি।

বুধবার (২৪ মার্চ) আশ্রয়ন প্রকল্প-২ পরিদর্শনকালে এ সব তথ্য জানা যায়। আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব হোসেন, টাঙ্গাইল-৩ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, ঘাটাইলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার সরকার, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, মুজিবশত বর্ষ উপলক্ষে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। তার মধ্যে সারা জাগানো উদ্যোগে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর মাধ্যমে গৃহহীণদের ঘর প্রদান। সেই প্রকেল্পর আওতায় টাঙ্গাইল জেলায় ২১৮৫টি ঘর বরাদ্দ এসেছে। সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজসহ সকল শ্রেণীর পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে উপকারভোগি নির্বাচন করা হয়েছে। একেক একটি ঘর গ্রহহীন মানুষের স্বপ্ন। গ্রহহীনরা পাকা দালান পাবে এটি তারা কখনও কল্পনাও করেনি। ঘর পেয়ে তারা আনন্দে আত্মহারা।

সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকারি খাস জমি প্রভাবশালীদের দখল থেকে উদ্ধার আশ্রয়ন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে। ঘর হস্তান্তরের বিষয়ে গৃহহীন নারী, ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠি ও তৃতীয় লিঙ্গের যারা গৃহহীন রয়েছে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ তাদের বরাদ্দ থেকে থেকে সহযোগিতা করে নলকুপ রাস্তা ঘাটসহ গৃহহীনদের জীবন যাপনের উপকরণ বিতরণ করেছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় ২৪ টি, মধুপুরে ২২ টি, গোপালপুরে ৬৮ টি, ভ‚ঞাপুরে ৮২ টি, ঘাটাইলে ১১২ টি, কালিহাতীতে ৩৫ টি, টাঙ্গাইল সদরে ১৫০ টি, নাগরপুরে ১৬ টি, দেলদুয়ারে ২০ টি, মির্জাপুরে ৫০ টি, বাসাইলে ৯ টি ও সখীপুরে ১৯ টি ঘরের সনদসহ কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়।

কদমতলী গ্রামের অপর উপকারভোগি হামিদা বেগম বলেন, ৩০ বছর আগে আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। স্বামী চলে যাওয়ায় মামার বাড়িতে বসবাস করতাম। মামামামি মারা যাওয়ার পর মামাতো ভাইয়েরা অনেক কথা বলেছে আমাকে। আমাকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। আমার কষ্ট দেখে আমাদের গ্রামের মেম্বার চেয়ারম্যানরা আমাকে একটি জমিসহ ঘর দিয়েছে। ঘর পেয়ে আমি খুব খুশি হয়েছি। আমার একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে আমার আরো উপকার হতো।
উপকারভোগি জোৎনা বেগত বলেন, আমার স্বামী দিন মজুরের কাজ করে। টাকা পয়সা না থাকায় ২০ বছর অন্যের বাড়িতে বসবাস করছি। আমাদেরও যেমন ঠিকানা ছিলো না ঠিক তেমনি আমার অনার্স পড়–য়া ছেলে ও ১০ বছরের মেয়ের কোন আশ্রয়স্থল ছিলো না। ঘরে পেয়ে আমাদের সবার ঠিকানা হয়েছে। আমার ছেলের একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে ভাল হয়।
রমেছা বেগম বলেন, এতো দিন অন্যের বাড়িতে খুব কষ্ট করে বসবাস করেছি। বসবাস নিয়ে খুব দুঃচিন্তায় ছিলাম। এখন তাও শান্তিতে ঘুমাতে পারি। নিশ্চিন্তে বসবাসও করতে পারি। আমাকে ঘর দেওয়ায় শেখের বেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান বলেন, একটা আশ্রয়ের ব্যবস্থা থাকলে মানুষ তার জীবন ও জীবিকার জন্য কিছু করতে পারেন। আর যার আশ্রয় নেই সে কি করে কাজ করবে। এ সব কথা চিন্তা করে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধি ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্কভাতা, স্বামী পরিত্যাক্ত ভাতা সহ সকল সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মানবতার ছাপ রেখে যাচ্ছেন।

প্রকল্প পরিচালক মাহবুব হোসেন বলেন, যাদের কেউ নেই, থাকার কোন ব্যবস্থা নেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিলো জন্য মাথা গোজার ঠাই করে দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু ঘর দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেননি। তারা কেমন আছেন, তাদের আয়ের উৎস হয়েছে কিনা তাদের সার্বিক খোঁজ খবর নিয়ে উপকারভোগিদের জন্য ভাল কিছু করতে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করতে এসেছি।

তিনি আরো বলেন, প্রথম পর্যায়ে দেশব্যাপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭০ হাজার ঘর হস্তান্তর করেছেন। সব মিলে বাংলাদেশে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৯৩ টি গৃহহীনদের জন্য ঘর দেওয়া হবে। বেশির ভাই শেষ পর্যায়ে। বাকি গুলো এপ্রিল অথবা মে’র প্রথম দিকে উদ্বোধন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর