১০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১০ ওভারও খেলতে পারল না বাংলাদেশ

দুঃস্বপ্নের নিউজিল্যান্ড সফর শেষ হলো আরও একটি লজ্জাজনক হার দিয়ে। ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও কিউইদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ।

অকল্যান্ডে আজ (বৃহস্পতিবার) বৃষ্টির কারণে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি পরিণত হয়েছিল ১০ ওভারের ম্যাচে। রান তাড়ায় নেমে ওই ১০ ওভারও টিকতে পারল না টাইগাররা। কার্টেল ওভারের ম্যাচে ৬৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে তারা।

১০ ওভারে ১৪২ রানের বিশাল টার্গেট তাড়ায় নেমে আগের ম্যাচের হাফ-সেঞ্চুরিয়ান সৌম্য সরকার আজও রুদ্ররূপে ধরা দেন। টিম সাউদিকে দুটি বাউন্ডারি মেরে শুরু করেন তিন নম্বর থেকে ওপেনিংয়ে আসা সৌম্য। পরের বলে নেন ২ রান। পঞ্চম বলে নিজের বলে সৌম্যর (৪ বলে ১০) চোখ ধাঁধানো ক্যাচ নেন সাউদি। শেষ বলে বোল্ড হয়ে ‘গোল্ডেন ডাক’ মেরে ফিরেন অভিষিক্ত অধিনায়ক লিটন দাস। অধিনায়ক হিসেবে লিটন দাসের অভিষেকটাও হলো করুণ।

দুই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বাংলাদেশের সব আশা সেখানেই শেষ হয়ে যায়। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ১৩ বলে ১ চার ২ ছক্কায় ১৯ রান করে টড অ্যাস্টলের শিকার হন। এটাই বাংলাদেশর কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান। একই ওভারের শেষ বলে বহুল বিতর্কিত নাজমুল হোসেন শান্তও ৬ বলে ৮ রান করে বোল্ড হয়ে ফিরেন। ব্যর্থতা অব্যাহত রাখেন আফিফ হোসেন ধ্রুব (৮)। শিকারী সেই অ্যাস্টল। এই লেগস্পিনার ফিরিয়ে দেন মেহেদি হাসানকেও (০)।

৬০ রানে বাংলাদেশের নেই ৭ উইকেট। এদিকে ওভারও কমে আসছিল। তাই ওভার শেষের আগে উইকেট শেষ হবে কিনা- এমন আশঙ্কাও করছিলেন কেউ কেউ। এর মাঝেই তাসকিন আহমেদকে (০) বোল্ড করে দেন লুকি ফার্গুসন। প্রথমবারের মতো সুযোগ পাওয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৪ বলে ১৩ রান করে সাউদির তৃতীয় শিকার হন। নাসুম আহমেদকে (৩) গ্লেন ফিলিপস তুলে নিলে ৯.৩ ওভারে ৭৬ রানে প্যাকেট হয়ে যায় বাংলাদেশ। রুবেল হোসেন ৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রংপুরে ভোটের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার

১০ ওভারও খেলতে পারল না বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ০৪:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল ২০২১

দুঃস্বপ্নের নিউজিল্যান্ড সফর শেষ হলো আরও একটি লজ্জাজনক হার দিয়ে। ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও কিউইদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ।

অকল্যান্ডে আজ (বৃহস্পতিবার) বৃষ্টির কারণে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি পরিণত হয়েছিল ১০ ওভারের ম্যাচে। রান তাড়ায় নেমে ওই ১০ ওভারও টিকতে পারল না টাইগাররা। কার্টেল ওভারের ম্যাচে ৬৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে তারা।

১০ ওভারে ১৪২ রানের বিশাল টার্গেট তাড়ায় নেমে আগের ম্যাচের হাফ-সেঞ্চুরিয়ান সৌম্য সরকার আজও রুদ্ররূপে ধরা দেন। টিম সাউদিকে দুটি বাউন্ডারি মেরে শুরু করেন তিন নম্বর থেকে ওপেনিংয়ে আসা সৌম্য। পরের বলে নেন ২ রান। পঞ্চম বলে নিজের বলে সৌম্যর (৪ বলে ১০) চোখ ধাঁধানো ক্যাচ নেন সাউদি। শেষ বলে বোল্ড হয়ে ‘গোল্ডেন ডাক’ মেরে ফিরেন অভিষিক্ত অধিনায়ক লিটন দাস। অধিনায়ক হিসেবে লিটন দাসের অভিষেকটাও হলো করুণ।

দুই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বাংলাদেশের সব আশা সেখানেই শেষ হয়ে যায়। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ১৩ বলে ১ চার ২ ছক্কায় ১৯ রান করে টড অ্যাস্টলের শিকার হন। এটাই বাংলাদেশর কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান। একই ওভারের শেষ বলে বহুল বিতর্কিত নাজমুল হোসেন শান্তও ৬ বলে ৮ রান করে বোল্ড হয়ে ফিরেন। ব্যর্থতা অব্যাহত রাখেন আফিফ হোসেন ধ্রুব (৮)। শিকারী সেই অ্যাস্টল। এই লেগস্পিনার ফিরিয়ে দেন মেহেদি হাসানকেও (০)।

৬০ রানে বাংলাদেশের নেই ৭ উইকেট। এদিকে ওভারও কমে আসছিল। তাই ওভার শেষের আগে উইকেট শেষ হবে কিনা- এমন আশঙ্কাও করছিলেন কেউ কেউ। এর মাঝেই তাসকিন আহমেদকে (০) বোল্ড করে দেন লুকি ফার্গুসন। প্রথমবারের মতো সুযোগ পাওয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৪ বলে ১৩ রান করে সাউদির তৃতীয় শিকার হন। নাসুম আহমেদকে (৩) গ্লেন ফিলিপস তুলে নিলে ৯.৩ ওভারে ৭৬ রানে প্যাকেট হয়ে যায় বাংলাদেশ। রুবেল হোসেন ৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর