বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্ন্য়ন বোর্ড (পিডিবি) এর অধীন “তিন পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প” বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে দ্রত গতিতে। বর্তমানে প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) বিদ্যুৎতায়নের আওতায় চলে আসবে। এতে করে প্রধান মন্ত্রীর প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার যে অঙ্গীকার তা শতভাগ বাস্তবায়ন হবে। অনগ্রসর ও পিছিয়েপড়া পার্বত্য অঞ্চল বিুদ্যুৎতের আলোয় আলোকিত হবে এবং এতদাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ দিনের অন্ধকারের গ্লানি মুছে সামনে উন্নয়নের দিকে ধাবিত হতে পারবে। মোট ৫৬৫ কোটি ৬৭ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার এই প্রকল্পের চলমান কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রকল্পের অধীনে মোট ১৬ টি উপকেন্দ্রের মধ্যে ১২টি ৩৩/১১কেভি (রুরাল টাইপ) টি উপকেন্দ্র নতুন নির্মাণ এবং ৪টি ৩৩/১১ কেভি (রেগুলার টাইপ) উপকেন্দ্রের আপগ্রেডেশনের কাজ অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। ইতিমধ্যে, তিন জেলায় ১৩টি উপকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। আর বাকী তিনটি উপকেন্দ্র বিলাইছড়ি, জুড়াছড়ি ও নাইখিয়াংছড়িতে অতি শিগগিরই চালু করা হবে বলে প্রকল্প অফিস সূত্রে জানা গেছে।
প্রকল্প অফিস সূত্রে জানা গেছে, কিছু ুিকছু বিদ্যুৎ লাইনের কাজ এখনও অসমাপ্ত রয়েছে। তবে অতি অল্প সময়ের মধ্যে এ কাজগুলোও সম্পন্ন করা হবে। শুক্রবার রাঙ্গামাটি জেলা সদরে অবস্থিত ভেদভেদি ৩৩/১১ কেভি ১০এমভিএ উপকেন্দকে আপগ্রেডেশন করে থেকে ২০ এমভিএ উপকেন্দ্রে উন্নীত করা হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটি জেলার দুর্গম লংগদু উপজেলায় নির্মিত ৩৩/১ কেভি উপকেন্দ্র কমিশনিং করা হয়। উপকেন্দ্রগুলো ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেস্ার্স এডেক্স কর্পোরেশন র্কর্তৃক নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। উল্লেখিত প্রকল্প কর্তৃক তিন পার্বত্য জেলায় বিভিন্ন উপজেলার দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ ও উপকেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ঠিকাদারদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই প্রকল্প দ্রত বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রকল্পটি গেল ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছর থেকে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হয়। প্রকল্প পরিচালক উজ্জল বড়য়া বলেছেন, দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ ও উপকেন্দ্র স্থাপন অত্যন্ত দূরহ কাজ। এখানে মালামাল পরিবহণ, বৈদ্যুুতিক ভারী পোল, তার ্এবং ট্রন্সফরমার পরিবহণ করে স্থাপন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি বলেছেন উজ্জল বড়য়া। তিনি আগামী ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ সম্পূর্ণ শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর























