১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রশ্ন ফাঁস: কুমিল্লায় যুবকের ২ বছরের কারাদণ্ড

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর রামকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের পাশ থেকে খাইরুল ইসলাম নামের প্রশ্ন ফাঁসকারী সিন্ডিকেটের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সাজাপ্রাপ্ত খাইরুল ইসলাম (২১) উপজেলার কামাল্লা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে। সে এ বছর কুমিল্লা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট হতে সিভিলে ডিপ্লোমা পাশ করেছে।

মঙ্গলবার পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষা আরম্ভ হওয়ার আধা ঘণ্টা আগে দুটি স্যামসাং স্মার্ট মোবাইল ফোন সেট ও এর মধ্যে থাকা পরিক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রশ্ন ফাঁসকারীদেরকে ধরতে উপজেলা প্রশাসন গত এক সপ্তাহ যাবৎ বেশ তৎপর ছিল। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম গোপন সংবাদের ভিক্তিতে মঙ্গলবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মেহবুবকে ছাত্র সাজিয়ে উপজেলার রামচন্দ্রপুর রামকান্ত স্কুলের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে পাঠিয়ে নিজেও আসেন। রামচন্দ্রপুর রামকান্ত স্কুলের শহীদ মিনারের মাঠে প্রশ্ন ও উত্তর বিক্রি হচ্ছে খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উভয়ই ঘটনাস্থলে এসে হাতে নাতে দু’টি স্যামসাং মোবাইল ফোন সেটসহ খাইরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রথম শ্রেণির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিতু মরিয়মের ভ্রাম্যমাণ আদালতে তার অপরাধ স্বীকার করায় মঙ্গলবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ অপরাধ আইনে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় তাকে সহায়তা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মেহবুব, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার এস আই রিদওয়ানুল হক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম বলেন, গ্রেফতার করা খাইরুলের মোবাইল ফোনে প্রশ্ন ফাঁসকারী অনেকের ফোন নম্বর ও ছবি রয়েছে। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে দু’বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রশ্ন ফাঁস: কুমিল্লায় যুবকের ২ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ১০:২৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর রামকান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের পাশ থেকে খাইরুল ইসলাম নামের প্রশ্ন ফাঁসকারী সিন্ডিকেটের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সাজাপ্রাপ্ত খাইরুল ইসলাম (২১) উপজেলার কামাল্লা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে। সে এ বছর কুমিল্লা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট হতে সিভিলে ডিপ্লোমা পাশ করেছে।

মঙ্গলবার পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষা আরম্ভ হওয়ার আধা ঘণ্টা আগে দুটি স্যামসাং স্মার্ট মোবাইল ফোন সেট ও এর মধ্যে থাকা পরিক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রশ্ন ফাঁসকারীদেরকে ধরতে উপজেলা প্রশাসন গত এক সপ্তাহ যাবৎ বেশ তৎপর ছিল। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম গোপন সংবাদের ভিক্তিতে মঙ্গলবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মেহবুবকে ছাত্র সাজিয়ে উপজেলার রামচন্দ্রপুর রামকান্ত স্কুলের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে পাঠিয়ে নিজেও আসেন। রামচন্দ্রপুর রামকান্ত স্কুলের শহীদ মিনারের মাঠে প্রশ্ন ও উত্তর বিক্রি হচ্ছে খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উভয়ই ঘটনাস্থলে এসে হাতে নাতে দু’টি স্যামসাং মোবাইল ফোন সেটসহ খাইরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রথম শ্রেণির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিতু মরিয়মের ভ্রাম্যমাণ আদালতে তার অপরাধ স্বীকার করায় মঙ্গলবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ অপরাধ আইনে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় তাকে সহায়তা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মেহবুব, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার এস আই রিদওয়ানুল হক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম বলেন, গ্রেফতার করা খাইরুলের মোবাইল ফোনে প্রশ্ন ফাঁসকারী অনেকের ফোন নম্বর ও ছবি রয়েছে। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে দু’বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।