০২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

গুরুদাসপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের প্রধান হোতা আটক

নাটোরের গুরুদাসপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস জালিয়াত চক্রের ধান হোতা মাসুদ রানাকে (২২) আটক করেছে নাটোর ডিবি পুলিশ। মাসুদ রানা পৌর সদরের কামারপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজ্জাক মিলিটারির ছেলে।

জানা যায়, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশের এসআই এস এম আবু সাদাদ বাদি হয়ে গুরুদাসপুর থানায় শুক্রবার রাতে একটি মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাসুদ পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং রেজাল্ট পরিবর্তন করে দেয়ার নামে প্রতারণা করে আসছে। তিনি md rakib khan নামে ফেইসবুক আইডি’র মাধ্যমে ওই প্রতারণা করে আসছে।

মাসুদ তার মা মালেকা বেগম ও বোন শিক্ষিকা রাজিয়া সুলতানার ন্যাশনাল আইডি কার্ড ব্যবহার করে তাদের নামে মোবাইল সিম উত্তোলন করে ওই প্রতারণা করে। বোন রাজিয়া সুলতানার নামে বিকাশ নাম্বার খুলে অর্থ হাতিয়ে নেয় বলে জানা যায়। যার বিকাশ নম্বর ০১৭১৭-১০০৫৮৪ ও ০১৭২২-৮৯৫২২২।

প্রতারক মাসুদকে আটকের সময় তিনি বাড়িতে থাকা বড় একটি ট্রাংকের ভিতরে পালিয়ে ছিল। আটককালে তার কাছে ৩০ হাজার টাকা, একটি ল্যাপটপ ও চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই জানান, তার লিংক থেকে তথ্য নিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। সে রেজাল্ট পরিবর্তনের কথা বলে প্রতারণা করায় তার বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘গুরুদাসপুরে ভুল উত্তর পত্রে সাত শিক্ষার্থীর পরীক্ষা’ শিরোনামে খবর প্রকাশের পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। তার ফলশ্রুতিতে মাসুদকে গ্রেফতার করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুরুদাসপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের প্রধান হোতা আটক

প্রকাশিত : ০৩:১৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

নাটোরের গুরুদাসপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস জালিয়াত চক্রের ধান হোতা মাসুদ রানাকে (২২) আটক করেছে নাটোর ডিবি পুলিশ। মাসুদ রানা পৌর সদরের কামারপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজ্জাক মিলিটারির ছেলে।

জানা যায়, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশের এসআই এস এম আবু সাদাদ বাদি হয়ে গুরুদাসপুর থানায় শুক্রবার রাতে একটি মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাসুদ পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং রেজাল্ট পরিবর্তন করে দেয়ার নামে প্রতারণা করে আসছে। তিনি md rakib khan নামে ফেইসবুক আইডি’র মাধ্যমে ওই প্রতারণা করে আসছে।

মাসুদ তার মা মালেকা বেগম ও বোন শিক্ষিকা রাজিয়া সুলতানার ন্যাশনাল আইডি কার্ড ব্যবহার করে তাদের নামে মোবাইল সিম উত্তোলন করে ওই প্রতারণা করে। বোন রাজিয়া সুলতানার নামে বিকাশ নাম্বার খুলে অর্থ হাতিয়ে নেয় বলে জানা যায়। যার বিকাশ নম্বর ০১৭১৭-১০০৫৮৪ ও ০১৭২২-৮৯৫২২২।

প্রতারক মাসুদকে আটকের সময় তিনি বাড়িতে থাকা বড় একটি ট্রাংকের ভিতরে পালিয়ে ছিল। আটককালে তার কাছে ৩০ হাজার টাকা, একটি ল্যাপটপ ও চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই জানান, তার লিংক থেকে তথ্য নিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে। সে রেজাল্ট পরিবর্তনের কথা বলে প্রতারণা করায় তার বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘গুরুদাসপুরে ভুল উত্তর পত্রে সাত শিক্ষার্থীর পরীক্ষা’ শিরোনামে খবর প্রকাশের পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। তার ফলশ্রুতিতে মাসুদকে গ্রেফতার করা হয়।