পটুয়াখালী বাউফলের মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের আড়াই হাজার পরিবার বিদুতের আলোয় আলোকিত হলো। তেঁতুলিয়া নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে লাইন টেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
বুধবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক চীফ হুইপ আসম ফিরোজ এমপি প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধন করেন। ২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই ইউনিয়নের ১০২ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুতের লাইন টানা হয়। এর ফলে বাউফল উপজেলায় বিদ্যুতায়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরন হলো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আ.স.ম ফিরোজ এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বত্র শতভাগ বিদ্যুতায়ণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। মুজিব বর্ষের মধ্যেই দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া সরকারের লক্ষ্য। এজন্য দেশের দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপণ করা হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী অনেক কিছু করেছেন। তিনি বলেন, মহামারি করোনার মধ্যেও দেশের আর্থিক অবস্থা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভাল রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণেই দেশ আজ ভালভাবে চলছে।
এ ছাড়াও এমপি আসম ফিরোজ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শাহ্ মোঃ রাজ্জাকুর রহমান, এসময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসারফ হোসেন খান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামসুল আলম মিয়া, ডিজিএম ছোহরাব হাসান,বাউফল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বশার তালুকদার, বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল মামুন প্রমূখ।
উল্লেখ্য, বাউফলের মূল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন ১১টি চর নিয়ে ২০১৩ সালে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন গঠন করা হয়। এরপর ওই ইউনিয়নকে বিদ্যুতের আওতায় আনার জন্য ২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে তেঁতুলিয়া নদীর তলদেশ দিয়ে ০.৮৪ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুতের গ্রীড লাইন টেনে চন্দ্রদ্বীপে ১০২ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন স্থাপণ করা হয়। ২০২০ সালে কাজটি শুরু করে চলতি বছরের মে মাসে কাজটি শেষ হয়। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়ার জন্য ১৫৭ টি ট্রান্সমিটার স্থাপণ করা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















