১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুই গ্রামবাসির মধ্যে সংঘর্ষ শিশুসহ আহত ২০

ইজি বাইকের পারস কেনা বেচাকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা থানার আজিম নগর ও রাজৈর থানার পাইকপাড়া ইউনিয়নের নরের কান্দি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে শুক্রবার সকালে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা থানার আক্কাস ও রাজৈর থানার জাহাঙ্গীর এর মধ্যে ইজিবাইকের পারস কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে গত দুইদিন আগে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে , এরই জের ধরে শুক্রবার সকালে সাবেক চেয়ারম্যান শাজাহান মোল্লা বিশয়টি মীমাংসা করে দিতে গেলে আক্কামসহ তার লোকজন সাবেক শাজাহান চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করে। ভাংঙ্গা থানার আজিম নগর ও রাজৈর থানার নরের কান্দি দুই থানার সিমান্ত এলাকায়। যার ফলে দুই এলাকার গ্রামবাসি সংর্ঘেষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পেক্ষের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় উভয়পক্কের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। আহতদের কে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মারাক্তক আহত দের কে রাজৈর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।মারাত্মক আহত শাহালম মুন্সীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত শাহ আলম মুন্সি বলেন, আজিম নগরের ওরা ইট পাইকেল মারে আমরা ও মারি হটাৎ ওরা (আজিম নগর) বোমা মারে সেই বোমা আমার পাসে এসে পড়ে এতে আমি আহত হই। আমার হাত ও মাথায় এসে ছিটে লাগে।

আহত ইব্রাহীম বলেন, শাহজাহান সাবেক চেয়ারম্যান বিষয়টি মীমাংসা করতে গেলে তাকে ওতারা অপমান করে এ বিষয় নিয়ে ওপার এপার (একটি খাল দুই থানার সিমানা) মারামারি হয় এ সময় উপার (আজিম নগর) থেকে বোম মারে । বোমা আমাদের পাশে এসে পড়ে এতে আমরা কয়েকজন আহত হই।

চিকিৎসা নিতে আসা এক জন জানান, ওরা (ভাংঙ্গা থানার লোক জন) আমাদের উপর ১০ থেকে ১২ টা বোমা মারে এতে অনেকেই আহত হয়। এর মধ্যে একটা বোম পানিতে পড়ে পানি প্রায় ২০ হাত উপরে উঠে গেছে তখন।

সকাল থেকে প্রায় ১১ টা প্রযন্ত এই ষঘর্ষ চলে এই সংঘর্ষে আহতরা হলো, শাহালম মুন্সী(৩৫) ইব্রাহিম সরদার (২৯) ইব্রাহিম ফকির (২৩) সুভ (৭), আজগরআলী ফকির (৩৩)

রাজৈর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ সাদী বলেন, একটা পারস কেনা বেচাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি হয়। সেই বিষটি সাবেক চেয়ারম্যান মিমাংসা করতে গেল,তখন বাহিরে (দোকানের বাহিরে) একটা গ্যানজাম লাগে পরে দুই গ্রামের প্রায় এক হাজার লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ইট পাটকেল মারে। পরে ভাংঙ্গা থানা ও আমরা রাজৈর থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। এসময় ভাংঙ্গা থানার পুলিশ কিছু সাউন্ট গ্যানেট মারে। সাউন্ট গ্যানেট কারো কোনো খতি করেনা। সাউন্ট গ্যানেটে সুধু সব্দ হয়। তবে পরে বিযয়টি দুই পক্ষ আপস মিমাংসা করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ আজ

দুই গ্রামবাসির মধ্যে সংঘর্ষ শিশুসহ আহত ২০

প্রকাশিত : ০৬:২৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১

ইজি বাইকের পারস কেনা বেচাকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা থানার আজিম নগর ও রাজৈর থানার পাইকপাড়া ইউনিয়নের নরের কান্দি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে শুক্রবার সকালে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা থানার আক্কাস ও রাজৈর থানার জাহাঙ্গীর এর মধ্যে ইজিবাইকের পারস কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে গত দুইদিন আগে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে , এরই জের ধরে শুক্রবার সকালে সাবেক চেয়ারম্যান শাজাহান মোল্লা বিশয়টি মীমাংসা করে দিতে গেলে আক্কামসহ তার লোকজন সাবেক শাজাহান চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করে। ভাংঙ্গা থানার আজিম নগর ও রাজৈর থানার নরের কান্দি দুই থানার সিমান্ত এলাকায়। যার ফলে দুই এলাকার গ্রামবাসি সংর্ঘেষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পেক্ষের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় উভয়পক্কের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। আহতদের কে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মারাক্তক আহত দের কে রাজৈর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।মারাত্মক আহত শাহালম মুন্সীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত শাহ আলম মুন্সি বলেন, আজিম নগরের ওরা ইট পাইকেল মারে আমরা ও মারি হটাৎ ওরা (আজিম নগর) বোমা মারে সেই বোমা আমার পাসে এসে পড়ে এতে আমি আহত হই। আমার হাত ও মাথায় এসে ছিটে লাগে।

আহত ইব্রাহীম বলেন, শাহজাহান সাবেক চেয়ারম্যান বিষয়টি মীমাংসা করতে গেলে তাকে ওতারা অপমান করে এ বিষয় নিয়ে ওপার এপার (একটি খাল দুই থানার সিমানা) মারামারি হয় এ সময় উপার (আজিম নগর) থেকে বোম মারে । বোমা আমাদের পাশে এসে পড়ে এতে আমরা কয়েকজন আহত হই।

চিকিৎসা নিতে আসা এক জন জানান, ওরা (ভাংঙ্গা থানার লোক জন) আমাদের উপর ১০ থেকে ১২ টা বোমা মারে এতে অনেকেই আহত হয়। এর মধ্যে একটা বোম পানিতে পড়ে পানি প্রায় ২০ হাত উপরে উঠে গেছে তখন।

সকাল থেকে প্রায় ১১ টা প্রযন্ত এই ষঘর্ষ চলে এই সংঘর্ষে আহতরা হলো, শাহালম মুন্সী(৩৫) ইব্রাহিম সরদার (২৯) ইব্রাহিম ফকির (২৩) সুভ (৭), আজগরআলী ফকির (৩৩)

রাজৈর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ সাদী বলেন, একটা পারস কেনা বেচাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি হয়। সেই বিষটি সাবেক চেয়ারম্যান মিমাংসা করতে গেল,তখন বাহিরে (দোকানের বাহিরে) একটা গ্যানজাম লাগে পরে দুই গ্রামের প্রায় এক হাজার লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ইট পাটকেল মারে। পরে ভাংঙ্গা থানা ও আমরা রাজৈর থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। এসময় ভাংঙ্গা থানার পুলিশ কিছু সাউন্ট গ্যানেট মারে। সাউন্ট গ্যানেট কারো কোনো খতি করেনা। সাউন্ট গ্যানেটে সুধু সব্দ হয়। তবে পরে বিযয়টি দুই পক্ষ আপস মিমাংসা করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ