০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মেসি, মেসি, মেসি গোল করলেন, করালেনও

আরেকটি আর্জেন্টিনা ম্যাচ। আরেকটি মেসি-শো। আর্জেন্টিনা মাঠে নামবে, নানাভাবে গোলের চেষ্টা করবে, কিন্তু ব্যর্থ হবে। পরে সেই লিওনেল মেসিকেই কিছু না কিছু করতে হবে। দুইবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের খেলা মানেই এই চিত্রনাট্য। আজ কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালেও এর কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। মেসিতে ভর করেই সেমিফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা।

ইকুয়েডরকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। তিনটি গোলেই ছিল মেসির অবদান। প্রথম দুটি গোল সতীর্থকে একদম পাতে তুলে দিয়েছেন। পরের গোলটি করেছেন দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে।

শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা চাপে রেখেছিল ইকুয়েডরকে। আসছিল সুযোগও। কিন্তু সেগুলো ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারছিল না আর্জেন্টিনা। শেষ অবধি সেই ডেডলক ভাঙল ৩৯ মিনিটে। মেসির বাড়ানো বলে গোল করে আলবিসেলেস্তেদের এগিয়ে দিয়েছেন রদ্রিগো ডি পল।

৩৯ মিনিটে নিকোলাস গঞ্জালেসের উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ওই বল ক্লিয়ার করতে কিছুটা এগিয়ে আসেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক হেরমান ইসমায়েল গালিনদেস। তখন ফাঁকা হয়ে যায় তাদের গোলপোস্ট।

এমন সময়ই বল পেয়ে যান লিওনেল মেসি। দারুণভাবে বল বাড়িয়ে দেন ডি বক্সের ভেতরে থাকা রদ্রিগো ডি পলের উদ্দেশ্যে। প্রথমে বল থামিয়ে পরে ফাঁকা জাল খুঁজে নিতে কোনো সমস্যা হয়নি এই সদ্যই অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দেওয়া এই মিডফিল্ডারের।

পরে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ৮৪ মিনিটের সময় মেসির পাস থেকেই দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন লাউতারো মার্টিনেজ। আর শেষ বাঁশি বাজার কয়েক মিনিট আগে দর্শনীয় এক ফ্রি-কিকে ইকুয়েডরের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।

ডি-বক্সের ঠিক দাগের ওপর থেকে নেয়া বাঁকানো ফ্রি-কিকে ইকুয়েডরের গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেননি মেসি। স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-০, নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার জয়।

চলতি কোপা আমেরিকায় মেসির এটি চতুর্থ গোল। পাশাপাশি তিনি করেছেন চারটি এসিস্টও। দেশের হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের মিশনে দুর্বার গতিতেই ছুটছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এ ফুটবলার। সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়াকে একটা বার্তাই দিয়ে রাখলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের রূপকার: ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজকে ঘিরে গণজোয়ার

মেসি, মেসি, মেসি গোল করলেন, করালেনও

প্রকাশিত : ১০:১৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

আরেকটি আর্জেন্টিনা ম্যাচ। আরেকটি মেসি-শো। আর্জেন্টিনা মাঠে নামবে, নানাভাবে গোলের চেষ্টা করবে, কিন্তু ব্যর্থ হবে। পরে সেই লিওনেল মেসিকেই কিছু না কিছু করতে হবে। দুইবারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নদের খেলা মানেই এই চিত্রনাট্য। আজ কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালেও এর কোনো ব্যতিক্রম হয়নি। মেসিতে ভর করেই সেমিফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা।

ইকুয়েডরকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। তিনটি গোলেই ছিল মেসির অবদান। প্রথম দুটি গোল সতীর্থকে একদম পাতে তুলে দিয়েছেন। পরের গোলটি করেছেন দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে।

শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা চাপে রেখেছিল ইকুয়েডরকে। আসছিল সুযোগও। কিন্তু সেগুলো ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারছিল না আর্জেন্টিনা। শেষ অবধি সেই ডেডলক ভাঙল ৩৯ মিনিটে। মেসির বাড়ানো বলে গোল করে আলবিসেলেস্তেদের এগিয়ে দিয়েছেন রদ্রিগো ডি পল।

৩৯ মিনিটে নিকোলাস গঞ্জালেসের উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ওই বল ক্লিয়ার করতে কিছুটা এগিয়ে আসেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক হেরমান ইসমায়েল গালিনদেস। তখন ফাঁকা হয়ে যায় তাদের গোলপোস্ট।

এমন সময়ই বল পেয়ে যান লিওনেল মেসি। দারুণভাবে বল বাড়িয়ে দেন ডি বক্সের ভেতরে থাকা রদ্রিগো ডি পলের উদ্দেশ্যে। প্রথমে বল থামিয়ে পরে ফাঁকা জাল খুঁজে নিতে কোনো সমস্যা হয়নি এই সদ্যই অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দেওয়া এই মিডফিল্ডারের।

পরে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ৮৪ মিনিটের সময় মেসির পাস থেকেই দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন লাউতারো মার্টিনেজ। আর শেষ বাঁশি বাজার কয়েক মিনিট আগে দর্শনীয় এক ফ্রি-কিকে ইকুয়েডরের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।

ডি-বক্সের ঠিক দাগের ওপর থেকে নেয়া বাঁকানো ফ্রি-কিকে ইকুয়েডরের গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেননি মেসি। স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-০, নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার জয়।

চলতি কোপা আমেরিকায় মেসির এটি চতুর্থ গোল। পাশাপাশি তিনি করেছেন চারটি এসিস্টও। দেশের হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের মিশনে দুর্বার গতিতেই ছুটছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এ ফুটবলার। সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়াকে একটা বার্তাই দিয়ে রাখলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর