মাহমুদউল্লাহ-তাসকিনের নৈপুন্যে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৬৮। মাহমুদউল্লাহ ১৫০* রানে অপরাজিত।
৮ উইকেটে ২৯৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ। গতকালের অবিচ্ছিন্ন তাসকিন-মাহমুদউল্লাহর ৯ম উইকেট জুটি আজ নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যায়। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা যেখানে ব্যর্থ, সেখানে লড়াই শুরু হয়েছে মিডল অর্ডার থেকে। তাসকিন-মাহমুদউল্লাহর জুটি একশ ছাড়িয়ে গেছে। দুজনেই ব্যক্তিগত মাইলফলকও অর্জন করেছেন।
বরাবরের মতো মহাবিপদে দলের হাল ধরা মাহমুদউল্লাহ আজ ক্যারিয়ারের ৫ম সেঞ্চুরি পূরণ করেন। এতে তার সময় লেগেছে ১৯৫ বল। হাঁকিয়েছেন ১১টি চার এবং ১টি ছক্কা। যদিও ১৬ মাস ধরে তাকে টেস্টে বিবেচনা করা হয় না। জিম্বাবুয়ে সফরের টেস্ট দলেও তার নাম ছিল না। গত ২৬ জুন হুট করে তার নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয় তামিম ইকবাল আর মুশফিকুর রহিমের ‘বদলি’ হিসেবে।
মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরির পরপরই ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। এজন্য তিনি খেলেছেন ৬৯ বল। হাঁকিয়েছেন ৮টি বাউন্ডারি। স্বীকৃত পেসার হিসেবে একাদশে থাকা তাসকিনের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর ছিল ৩৩। ৮ উইকেটে ৪০৪ রান তুলে মাহমুদউল্লাহ-তাসকিনের জুটি অবিচ্ছিন্ন রেখেই লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ। লাঞ্চ শেষে ফিরেও এই জুটিকে ভাঙতেই পারছিলেন না জিম্বাবুয়ের বোলাররা। দারুণ ধৈর্য্য নিয়ে জুটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ-তাসকিন।
এর আগে গতকাল বুধবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত টেস্টের প্রথম দিনে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের মাঝে সাইফ (০), সাদমান (২৩), শান্ত (২), মুশফিক (১১), সাকিব (৩), মিরাজ (০)- কেউই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেননি। লিটন দাস দুঃখজনকভাবে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে ৫ রান দূরে থাকতে আউট হন। তার ১৪৭ বলে ১৩ চারে ৯৫ রানের ইনিংস থামে ডোনাল্ড ত্রিপানোর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। অধিনায়ক মুমিনুল ৯২ বলে ১৩ বাউন্ডারিতে ৭০ রানে আউট হন।

























