০৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

শ্রীদেবীর সেরা ১০ সিনেমা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১১:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • 149

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবী কাপুর না ফেরার দেশে চলে গেছেন। কিন্তু মাত্র ৫৪ বছর বয়সে তার চলে যাওয়াটাকে কেউ মেনে নিতে পারছে না। তার এই হঠাৎ চলে যাওয়াতে বলিউডসহ সব জায়গাতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

শ্রীদেবী মানে তো শুধু এক অভিনেত্রী নন। তিনি একাধারে বহু কিছু। একটা অধ্যায় বললেও কম পড়ে যাবে। চলচ্চিত্র জগতকে তিনি কিছু দিতে কার্পণ্য করেননি। তার প্রতিভা উপচে পড়েছে অভিনয়ের প্রতিটি আঙিনায়। সদমা হোক বা চালবাজ অথবা ইংলিশ ভিংলিশ, কিংবা হালফিলের মম, কি দিয়ে বর্ণনা করবেন তাকে? এই হাসিমুখ কি সত্যিই কি আর দেখা যাবে না?

চার বছর বয়স থেকে অভিনয় শুরু করেন শ্রীদেবী। তিনি তামিল ছবি ‘থুনাইভান’তে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ খ্যাত এই সুপারস্টারকে। প্রথম ছবিতেই দর্শকদের মন জয় করে নেন শ্রীদেবী। তামিল, তেলেগু, মালায়লাম, কান্নাডা আর হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।

তার এই দীর্ঘ অভিনয় জীবনে রয়েছে অসাধারণ কিছু চলচ্চিত্র যা মানুষের মাঝে তাকে বাঁচিয়ে রাখবে হাজার বছর।

bg20180225131920

শ্রীদেবী কাপুরের সেরা ১০টি চলচ্চিত্রের নাম উল্লেখ করা হল-

মম (২০১৭): শ্রীদেবী অভিনীত সেরা ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ছবি হল রবি উদিয়া পরিচালিত ‘মম’। ছবিটি সন্তানের প্রতি অবিচারের বিরুদ্ধে একজন মায়ের লড়াইয়ের কাহিনি নিয়ে নির্মিত। মায়ের ভূমিকায় শ্রীদেবীর অভিনয় মুগ্ধ করে দর্শককে।

ইংলিশ ভিংলিশ (২০১২): শ্রীদেবী অভিনীত ইংলিশ ভিংলিশ ছবিটি বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। এই ছবির শশী চরিত্রটি সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে থেকে যাবে অনেকদিন। বক্স অফিসে চূড়ান্ত সাফল্য পায় এই ছবি।

জুদাই (১৯৯৭): রাজ কানওয়ারের ‘জুদাই’ ছবিতে এক লোভী গৃহবধূর চরিত্রে শ্রীদেবীর অভিনয় ছিল দুর্দান্ত। ছবিটিতে নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় শ্রীদেবীকে।

খুদা গাওয়া (১৯৯২): অমিতাভ বচ্চন ও শ্রীদেবী অভিনীত ‘খুদা গাওয়া’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯২ সালে। নাজির আহমদ এবং মনোজ দেশাইয়ের ‘খুদা গাওয়া’ বক্স অফিসে দারুণ সাড়া জাগিয়েছিল।

লমহে (১৯৯১): ‘লমহে’তে শ্রীদেবী ও অনিল কপূরের অনস্ক্রিন রসায়ন পছন্দ করেছিলেন দর্শকরা। সে ছবিতে শ্রীদেবীর বিপরীতে অভিনয় করার জন্য তার স্বামী বনি কপূরকে প্রস্তাব করেছিলেন যশ চোপড়া। ছবিটি দুর্দান্ত সাফল্য পায় বক্স অফিসে।

চাঁদনি (১৯৮৯): যশ চোপড়ার ‘চাঁদনি’ এক সময় বক্স অফিসে সব রেকর্ড ভেঙে দেয়। পর্দায় ঋষি কপূর এবং শ্রীদেবীর রসায়ন মুগ্ধ করেছিল সবাইকে।

চালবাজ (১৯৮৯): পঙ্কজ পরাশর পরিচালিত ‘চালবাজ’ ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৯ সালে। ছবিটিতে ‘অঞ্জু’ এবং ‘মঞ্জু’ নামে যমজ বোনের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় শ্রীদেবীকে। ছবিটিতে একই সঙ্গে দুইটি ভিন্ন চরিত্রের স্বাদ এনে দেন শ্রীদেবী।

মিস্টার ইন্ডিয়া (১৯৮৭): বক্স অফিস কাঁপানো শ্রীদেবীর আরেকটি সেরা ছবি ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’। সেই সময় দাঁড়িয়ে শেখর কপূরের ছবিটির কনসেপ্ট দর্শকমহলে খুবই জনপ্রিয় হয়।

নাগিনা (১৯৮৬): এক ইচ্ছাধারী নাগিনের চরিত্রে শ্রীদেবীর অসাধারণ অভিনয় মুগ্ধ করেছিল দর্শককে। অমরিশ পুরীর বীণের তালে তালে ‘ম্যায় তেরা দুশমন’ গান এখনও লোকের মুখে মুখে ফেরে।

সদমা (১৯৮৩): ত্যাগরাজনের প্রযোজনায় এবং বালু মহেন্দ্র-র পরিচালনায় ১৯৮৩ সালে তৈরি হয় সদমা। শৈশবে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যাওয়া এক মেয়ের চরিত্রে দেখা যায় বলি ডিভাকে। শ্রীদেবী এবং কমল হাসন অভিনীত এই ছবিটি বলিউডে ক্ল্যাসিক ছবির খ্যাতি পায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

শ্রীদেবীর সেরা ১০ সিনেমা

প্রকাশিত : ১১:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবী কাপুর না ফেরার দেশে চলে গেছেন। কিন্তু মাত্র ৫৪ বছর বয়সে তার চলে যাওয়াটাকে কেউ মেনে নিতে পারছে না। তার এই হঠাৎ চলে যাওয়াতে বলিউডসহ সব জায়গাতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

শ্রীদেবী মানে তো শুধু এক অভিনেত্রী নন। তিনি একাধারে বহু কিছু। একটা অধ্যায় বললেও কম পড়ে যাবে। চলচ্চিত্র জগতকে তিনি কিছু দিতে কার্পণ্য করেননি। তার প্রতিভা উপচে পড়েছে অভিনয়ের প্রতিটি আঙিনায়। সদমা হোক বা চালবাজ অথবা ইংলিশ ভিংলিশ, কিংবা হালফিলের মম, কি দিয়ে বর্ণনা করবেন তাকে? এই হাসিমুখ কি সত্যিই কি আর দেখা যাবে না?

চার বছর বয়স থেকে অভিনয় শুরু করেন শ্রীদেবী। তিনি তামিল ছবি ‘থুনাইভান’তে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ খ্যাত এই সুপারস্টারকে। প্রথম ছবিতেই দর্শকদের মন জয় করে নেন শ্রীদেবী। তামিল, তেলেগু, মালায়লাম, কান্নাডা আর হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।

তার এই দীর্ঘ অভিনয় জীবনে রয়েছে অসাধারণ কিছু চলচ্চিত্র যা মানুষের মাঝে তাকে বাঁচিয়ে রাখবে হাজার বছর।

bg20180225131920

শ্রীদেবী কাপুরের সেরা ১০টি চলচ্চিত্রের নাম উল্লেখ করা হল-

মম (২০১৭): শ্রীদেবী অভিনীত সেরা ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ছবি হল রবি উদিয়া পরিচালিত ‘মম’। ছবিটি সন্তানের প্রতি অবিচারের বিরুদ্ধে একজন মায়ের লড়াইয়ের কাহিনি নিয়ে নির্মিত। মায়ের ভূমিকায় শ্রীদেবীর অভিনয় মুগ্ধ করে দর্শককে।

ইংলিশ ভিংলিশ (২০১২): শ্রীদেবী অভিনীত ইংলিশ ভিংলিশ ছবিটি বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। এই ছবির শশী চরিত্রটি সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে থেকে যাবে অনেকদিন। বক্স অফিসে চূড়ান্ত সাফল্য পায় এই ছবি।

জুদাই (১৯৯৭): রাজ কানওয়ারের ‘জুদাই’ ছবিতে এক লোভী গৃহবধূর চরিত্রে শ্রীদেবীর অভিনয় ছিল দুর্দান্ত। ছবিটিতে নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় শ্রীদেবীকে।

খুদা গাওয়া (১৯৯২): অমিতাভ বচ্চন ও শ্রীদেবী অভিনীত ‘খুদা গাওয়া’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯২ সালে। নাজির আহমদ এবং মনোজ দেশাইয়ের ‘খুদা গাওয়া’ বক্স অফিসে দারুণ সাড়া জাগিয়েছিল।

লমহে (১৯৯১): ‘লমহে’তে শ্রীদেবী ও অনিল কপূরের অনস্ক্রিন রসায়ন পছন্দ করেছিলেন দর্শকরা। সে ছবিতে শ্রীদেবীর বিপরীতে অভিনয় করার জন্য তার স্বামী বনি কপূরকে প্রস্তাব করেছিলেন যশ চোপড়া। ছবিটি দুর্দান্ত সাফল্য পায় বক্স অফিসে।

চাঁদনি (১৯৮৯): যশ চোপড়ার ‘চাঁদনি’ এক সময় বক্স অফিসে সব রেকর্ড ভেঙে দেয়। পর্দায় ঋষি কপূর এবং শ্রীদেবীর রসায়ন মুগ্ধ করেছিল সবাইকে।

চালবাজ (১৯৮৯): পঙ্কজ পরাশর পরিচালিত ‘চালবাজ’ ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৯ সালে। ছবিটিতে ‘অঞ্জু’ এবং ‘মঞ্জু’ নামে যমজ বোনের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় শ্রীদেবীকে। ছবিটিতে একই সঙ্গে দুইটি ভিন্ন চরিত্রের স্বাদ এনে দেন শ্রীদেবী।

মিস্টার ইন্ডিয়া (১৯৮৭): বক্স অফিস কাঁপানো শ্রীদেবীর আরেকটি সেরা ছবি ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’। সেই সময় দাঁড়িয়ে শেখর কপূরের ছবিটির কনসেপ্ট দর্শকমহলে খুবই জনপ্রিয় হয়।

নাগিনা (১৯৮৬): এক ইচ্ছাধারী নাগিনের চরিত্রে শ্রীদেবীর অসাধারণ অভিনয় মুগ্ধ করেছিল দর্শককে। অমরিশ পুরীর বীণের তালে তালে ‘ম্যায় তেরা দুশমন’ গান এখনও লোকের মুখে মুখে ফেরে।

সদমা (১৯৮৩): ত্যাগরাজনের প্রযোজনায় এবং বালু মহেন্দ্র-র পরিচালনায় ১৯৮৩ সালে তৈরি হয় সদমা। শৈশবে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যাওয়া এক মেয়ের চরিত্রে দেখা যায় বলি ডিভাকে। শ্রীদেবী এবং কমল হাসন অভিনীত এই ছবিটি বলিউডে ক্ল্যাসিক ছবির খ্যাতি পায়।