প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে, যে দলটির কাছে গত ৮ বছর ওয়ানডেতে হারেনি বাংলাদেশ। ২০১৩ সালের ৮ মে বুলাওয়েতে ৭ উইকেটে পরাজয়ের পর টানা ১৬ ম্যাচ জিতেছে টাইগাররা। অবশ্য সব কটাই দেশের মাটিতে।
এবার দীর্ঘদিন পর আবার জিম্বাবুয়ের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ। ইতিহাস জানাচ্ছে, ২০১৩ সালে সর্বশেষ জিম্বাবুয়ের মাটিতে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অংশ নিয়েছিল টাইগাররা। প্রথম ম্যাচে ১২১ রানের বড় জয়ে শুভ সূচনার পরও শেষ রক্ষা হয়নি। পরের দুই ম্যাচে যথাক্রমে ৬ ও ৭ উইকেটের পরাজয়ে সিরিজ হাতছাড়া হয়
এবার আবার জিম্বাবুয়ের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ। রাত পোহালে ১৬ জুলাই প্রথম ওয়ানডে হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে। যেখানে কদিন আগেই একমাত্র টেস্টে ২২০ রানের বড় জয়ের মধুর স্বাদ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী টাইগাররা।
জিম্বাবুয়ের শক্তি ও সামর্থ দিনকে দিন কমছে। যে সব কোয়ালিটি প্লেয়ার চলে যাচ্ছেন, তাদের মানের বিকল্প আসছে না। তাই জিম্বাবুইয়ান এখন আগের যে কোন সময়ের চেয়ে দুর্বল।
তারপরও তাদের মাটিতে সর্বশেষ সিরিজ হারের কথাও মাথায় রাখতে হচ্ছে। আর সঙ্গে যোগ হয়েছে মুশফিকুর রহীমের অনুপস্থিতি। কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের হাঁটুর ইনজুরিজনিত অনিশ্চয়তা। এছাড়া অধিনায়ক তামিম ইকবালও কিন্তু শতভাগ ফিট নন।
এরকম অবস্থায় ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে কী ভাবছেন তামিম ইকবাল? ওয়ানডে অধিনায়ক কী চিন্তিত? বিচলিত? আজ বিকেলে ভিডিও কনফারেন্সে প্রশ্ন উঠলো- ‘মুশফিক চলে গেলেন, মোস্তাফিজও আহত। আপনি নিজেও পুরাপুরি ফিট নন। সেরা দল না পাওয়া কতটা চ্যালেঞ্জিং?’
উত্তরে তামিম একবারের জন্য হতাশা প্রকাশ করেননি। বাস্তবতা মেনে নিয়ে উত্তর দিতে গিয়ে পরিষ্কার জানিয়েছেন, সবসময়, সব সিরিজে সবাইকে পাওয়া যায় না। কোন না কোন সমস্যা, ইনজুরি থাকে। সেটা মেনে নিয়েই খেলতে হয়। এখানেও খেলতে হবে। আর আমাদের পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে। মুশফিকের পরিস্থিতি দেখুন বা মোস্তাফিজের চোট- এগুলো কারোই নিয়ন্ত্রণে নেই।’
তামিম বোঝানোর চেষ্টা করেন, মুশফিকের সাথে যদি মোস্তাফিজও না খেলতে পারে, তাহলে বিকল্প পথে হাঁটতেই হবে। অন্য কাউকে নেয়া ছাড়া পথ নেই। স্কোয়াডে তো আরও বিকল্প আছে। তিনি বলেন, ‘কারো না কারো ইনজুরি বা সমস্যা থাকতে পারে, সেটা জেনে বুঝেই তো ১৬-১৭ জন রাখা হয় স্কোয়াডে। যারা স্কোয়াডে আছে সবাই যোগ্য।’

























