১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় কবরবাড়িয়া গ্রামে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত। সেই সাথে দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।

বুধবার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এ বি এম মাহমুদুল হক এ রায় দেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কুষ্টিয়া আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, ২০১৪ সালে উপজেলার কবরবাড়িয়া গ্রামের শের আলী মালিথার ছেলে রুবেল মালিথার সাথে পার্শ্ববর্তী তাতিবন গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে কুমকুমি খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে বিভিন্ন কারণে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। রুবেল তার স্ত্রীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করত। ওই বছরের ০২ মার্চ রাতে রুবেল মালিথা তার স্ত্রী কুমকুমিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরের বারান্দায় ফেলে রাখে।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল কুদ্দুস জামাই রুবেল মালিথাকে আসামি করে মিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক তাকে ফাঁসির সাজা দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি

প্রকাশিত : ০২:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় কবরবাড়িয়া গ্রামে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত। সেই সাথে দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।

বুধবার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এ বি এম মাহমুদুল হক এ রায় দেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কুষ্টিয়া আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, ২০১৪ সালে উপজেলার কবরবাড়িয়া গ্রামের শের আলী মালিথার ছেলে রুবেল মালিথার সাথে পার্শ্ববর্তী তাতিবন গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে কুমকুমি খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে বিভিন্ন কারণে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। রুবেল তার স্ত্রীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করত। ওই বছরের ০২ মার্চ রাতে রুবেল মালিথা তার স্ত্রী কুমকুমিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরের বারান্দায় ফেলে রাখে।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল কুদ্দুস জামাই রুবেল মালিথাকে আসামি করে মিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক তাকে ফাঁসির সাজা দেন।