ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার মেঘনা ও তিতাস নদীর মোহনা চরলাপাং থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের দায়ে ৩টি ড্রেজার, ৩টি বড় বালুর নৌকা জব্দ ও তার সঙ্গে জড়িত ১৮ জনকে আটক করেছেন নবীনগর সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসাইন।
শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নবীনগর থানা পুলিশের একটি টীম নিয়ে বালু উত্তোলনকারী এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তিনি।
পরে জব্দ মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার একরামুল ছিদ্দিক। তিনি জানান, তিতাস ও মেঘনা নদীর মোহনায় দীর্ঘদিন ধরে একটি অপশক্তি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ফলে এ উপজেলার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের লাপাং ও চরলাপাং গ্রামে ব্যাপক ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তাঘাট বাড়িঘর এমনকি মসজিদ পর্যন্ত ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। তাই বিষয়টি তাদের নজরে আসামাত্র জেলা প্রশাসক ও নবীনগরের স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অবগত করে দ্রুত অভিযান চালিয়ে ৩টি বড় ড্রেজার মেশিন, ৩টি বালু ভর্তি নৌকা ও তার সঙ্গে জড়িত ১৮জন শ্রমিককে আটক করা হয়েছে।
সংবদ সম্মেলনে অভিযান পরিচালনাকারী মোশারফ হোসাইন বলেন,একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নবীনগর জল সীমানার তিতাস ও মেঘনা নদীর মোহনায় নিয়মিত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে বলে আমি জানতে পারার সাথে সাথেই নবীনগর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করি। এসময় ড্রেজার মালিকদের না পাওয়ায় তাদের ৩টি ড্রেজার, ৩টি বালু ভর্তি নৌকা জব্দ ও তার সাথে জড়িত ১৮জন শ্রমিক আটক করা হয়েছে। সকল মালামাল নবীনগর থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সময় নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।




















