সিরাজগঞ্জের তাড়াশের মাধাইনগর ইউনিয়নের বিষমডাঙ্গা গ্রামের প্রতিমা তৈরির কারিগর কালাচাঁদ সুতধর । প্রায় ৪০ বছর ধরে প্রতিমা তৈরির কাজ করেন তিনি। আর এ কাজের মধ্যে দিয়েই চলে তার সংসার। এমনকি পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়েই চলেছে তার কর্মযোগ্য।
জানা গেছে, আসছে ১১ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা। তাই কালাচাঁদ সুতধরের মতো সিরাজগঞ্জের সকল উপজেলাতেই পাল বাড়িতে চলছে এখন পুরোদমে প্রতিমা তৈরির কাজ। ব্যাস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা তৈরির কারিগররা। করোনা পরিস্থিতির কারণে কীভাবে হবে এবারের দুর্গোৎসব সে চিন্তা মাথায় নিয়ে প্রতিমা তৈরির কারিগররা পরিবারের সদস্যদের সাথে কাদা-মাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে তিলতিল করে গড়ে তুলছেন দেবী দুর্গার এক একটি প্রতিমা। সকাল থেকে রাত অবধি চলছে এ কর্মযগ্য। যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের। পাল পরিবারের সকল সদস্যই এ সময় প্রতীমা তৈরীতে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন। অপর দিকে মন্দির গুলোতে চলছে পুরোদমে পরিস্কার ও মেরামতের কাজ। উপজেলায় প্রতিমা তৈরির কাজ অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বাঁকি রয়েছে শুধু প্রতিমা কে রঙ্গ তুলিতে সাঝানো।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মাধাইনিগর ইউনিয়নের বিষমডাঙ্গা গ্রামের কালাচাঁদ সূত্রধর তার নিজ বাড়িতে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে আগাম বায়নাকৃত ৮ টি মন্ডবের জন্য দূর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন।
কালাচাঁদ সূত্রধর বলেন, প্রায় ৪০ বছর যাবৎ তিনি দূর্গা দেবী সহ বিভিন্ন দেবীর প্রতিমা তৈরি করে তা থেকে আয়কৃত টাকা দিয়ে সংার পরিচালনা করে আসছি। প্রতিমা তৈরী বাপ-দাদার পেশা আমি ধরে রেখেছেন। এবং এক মাত্র ছেলেকেও তা শিক্ষা দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন,এ বছর প্রতিটি দূর্গা প্রতীমা আকার ভেদে ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকায় তৈরীর অর্ডার নিয়েছি। করোনার কারনে বেশী অর্ডার নিতে পারি নাই।
তাড়াশ উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি তপন গোস্বামী জানান, এ বছর তাড়াশে ৪২ টি পূজাঁ মন্ডপে দূর্গাপূজাঁ অনুষ্ঠিত হবে। সকল পূজা মন্ডপে সংস্কার কাজ চলছে। প্রতিটি পূজাঁ মন্ডবে কমিটিকে করোনা কালীন সময়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পূজাঁর উদযাপনের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
আইন শৃংখলা বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফজলে আশিক বলেন, এবারের দূর্গোৎসব অবাদ ও সুষ্ঠ ভাবে সকলেই উদযাপন করতে পারেন সে লক্ষে পুলিশ সদস্য কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি পূজাঁ মন্ডপে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য সার্বোক্ষণিক মোতায়েন থাকবে।




















