০১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাইকগাছায় নৌকা প্রতীকে জয় জয়কার

খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে জয় জয়কার। ৯ ইউপি চেয়ারম্যান পদে ৭জন নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছে। বাকী ২ইউপি স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছে। ৯ জন চেয়ারম্যান বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন যারা ২নং কপিলমুনি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. কওছার আলী জোয়াদ্দার, ৩নং লতা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে কাজল কান্তি বিশ্বাস, ৪নং দেলুটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল, ৫নং সোলাদানা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে আব্দুল মান্নান গাজী, ৬নং লস্কর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চোরম্যান নৌকা প্রতীক নিয়ে কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন, ৭নং গদাইপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, ৮নং রাড়–লী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ও ৯নং চাঁদখালি ইউনিয়নে বিদ্রহী প্রার্থী চশমা প্রতীক নিয়ে শাহাজাদা ইলিয়াস এবং সর্বশেষ ১০নং গড়ইখালি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আ. সালাম কেরু আনারস প্রতীক নিয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে শত শত নারী পুরুষ সারিবদ্ধ ভাবে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ৯টি ইউপি নির্বাচনে ৪০জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও সাধারণ সদস্য মিলে মোট ৬০১ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেন। মোট ১ লাখ ৮৭হাজার ৬২০জন ভোটারের বিপরীতে ৯২টি কেন্দ্রে ৫৩৮টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে উপজেলা প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি ছিলো চোখের পড়ার মত। নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় এবং ভোটাররা নির্ভয়ে ও নির্বিঘেœ ভোট দিতে পারে এ জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক মাঠে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি ৯জন ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী কাজে সার্বক্ষণিক টহলে নিয়োজিত ছিলেন। তবে নির্বাচন পরবর্তী রাতে পরাজিত ইউপি সদস্য কপিলমুনি ৪নং ওয়ার্ডে আ. আজিজ বিশ্বাসের কর্মীদের দ্বারা বিজীয় প্রার্থীর কর্মীদের মারপিট ও বাড়ী ঘর ভাংচুর করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

আজ বিশ্ব ক্যানসার দিবস

পাইকগাছায় নৌকা প্রতীকে জয় জয়কার

প্রকাশিত : ০৮:০০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে জয় জয়কার। ৯ ইউপি চেয়ারম্যান পদে ৭জন নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছে। বাকী ২ইউপি স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছে। ৯ জন চেয়ারম্যান বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন যারা ২নং কপিলমুনি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. কওছার আলী জোয়াদ্দার, ৩নং লতা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে কাজল কান্তি বিশ্বাস, ৪নং দেলুটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল, ৫নং সোলাদানা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে আব্দুল মান্নান গাজী, ৬নং লস্কর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চোরম্যান নৌকা প্রতীক নিয়ে কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন, ৭নং গদাইপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, ৮নং রাড়–লী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ও ৯নং চাঁদখালি ইউনিয়নে বিদ্রহী প্রার্থী চশমা প্রতীক নিয়ে শাহাজাদা ইলিয়াস এবং সর্বশেষ ১০নং গড়ইখালি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আ. সালাম কেরু আনারস প্রতীক নিয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে শত শত নারী পুরুষ সারিবদ্ধ ভাবে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ৯টি ইউপি নির্বাচনে ৪০জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও সাধারণ সদস্য মিলে মোট ৬০১ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেন। মোট ১ লাখ ৮৭হাজার ৬২০জন ভোটারের বিপরীতে ৯২টি কেন্দ্রে ৫৩৮টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে উপজেলা প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি ছিলো চোখের পড়ার মত। নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় এবং ভোটাররা নির্ভয়ে ও নির্বিঘেœ ভোট দিতে পারে এ জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক মাঠে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি ৯জন ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী কাজে সার্বক্ষণিক টহলে নিয়োজিত ছিলেন। তবে নির্বাচন পরবর্তী রাতে পরাজিত ইউপি সদস্য কপিলমুনি ৪নং ওয়ার্ডে আ. আজিজ বিশ্বাসের কর্মীদের দ্বারা বিজীয় প্রার্থীর কর্মীদের মারপিট ও বাড়ী ঘর ভাংচুর করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর