০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ভারতীয় আইনে আস্থা নেই অমিতাভের

সম্প্রতি টুইটার ব্লগে ভারতীয় আইন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিগ বি। স্পষ্ট ভাষায় লিখলেন, “বাবার মৃত্যুর পরে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সব কিছুর অধিকারই তাঁর”। কড়া ভাষায় এভাবেই নিজের মতামত জানিয়ে দিলেন অমিতাভ বচ্চন।

আসলে অমিতাভ আক্রমণ করেছে ভারতীয় ‘কপিরাইট ল’ আইন ব্যবস্থাকে। ১৯৫৭ সালে প্রস্তাবিত এই আইন অনুযায়ী, সাহিত্য, নাটক, সঙ্গীত বা কোনও শিল্পকর্মের স্রষ্টার মৃত্যুর ৬০ বছর পরে তার কোনও সৃজনকর্মের অপরেই আর তার বা তার পরিবারের অধিকার থাকবে না। তা যে কেউ পুনরুপস্থাপন করতে পারবেন। এই আইনি ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে নারাজ বিগ বি।

প্রসঙ্গত, অমিতাভ বচ্চনের বাবা,স্বনামধন্য কবি হরিবংশ রাই বচ্চন। তার রচিত কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল ‘মধুশালা’, ‘অগ্নিপথ’, ‘রুকে না তুম’। উল্লেখ্য হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু হয় ২০০৩ সালের ১৮ জানুয়ারি।

তাই বাবা হরিবংশ রাই বচ্চনের রচিত কবিতাগুলিও আর তার পরিবারের থাকবে না। তার রচিত সমস্ত কবিতা হয়ে যাবে বিশ্ববাসীর। এবং তা নিয়ে যে যা খুশি করতে পারে। এটা মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় এ. কে. স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০২ শিক্ষার্থীর দুর্দান্ত সাফল্য

ভারতীয় আইনে আস্থা নেই অমিতাভের

প্রকাশিত : ০৭:১০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮

সম্প্রতি টুইটার ব্লগে ভারতীয় আইন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিগ বি। স্পষ্ট ভাষায় লিখলেন, “বাবার মৃত্যুর পরে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সব কিছুর অধিকারই তাঁর”। কড়া ভাষায় এভাবেই নিজের মতামত জানিয়ে দিলেন অমিতাভ বচ্চন।

আসলে অমিতাভ আক্রমণ করেছে ভারতীয় ‘কপিরাইট ল’ আইন ব্যবস্থাকে। ১৯৫৭ সালে প্রস্তাবিত এই আইন অনুযায়ী, সাহিত্য, নাটক, সঙ্গীত বা কোনও শিল্পকর্মের স্রষ্টার মৃত্যুর ৬০ বছর পরে তার কোনও সৃজনকর্মের অপরেই আর তার বা তার পরিবারের অধিকার থাকবে না। তা যে কেউ পুনরুপস্থাপন করতে পারবেন। এই আইনি ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে নারাজ বিগ বি।

প্রসঙ্গত, অমিতাভ বচ্চনের বাবা,স্বনামধন্য কবি হরিবংশ রাই বচ্চন। তার রচিত কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল ‘মধুশালা’, ‘অগ্নিপথ’, ‘রুকে না তুম’। উল্লেখ্য হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু হয় ২০০৩ সালের ১৮ জানুয়ারি।

তাই বাবা হরিবংশ রাই বচ্চনের রচিত কবিতাগুলিও আর তার পরিবারের থাকবে না। তার রচিত সমস্ত কবিতা হয়ে যাবে বিশ্ববাসীর। এবং তা নিয়ে যে যা খুশি করতে পারে। এটা মেনে নিতে পারছেন না তিনি।