১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

তানোর পৌরসভার উদ্যােগে জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরকে ভ্যাকসিন প্রদান

রাজশাহীর তানোর উপজেলার তানোর পৌরসভার উদ্যােগে জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরকে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তানোর উপজেলা ক্যাম্পাসে তানোর পৌরসভার মেয়র ইমরুল হকের নির্দেশে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌরসভার কার্য সহকারী অহেদুজ্জামান বাবু, মাহাবুর রহমান,মেজবাউল হক প্রমুখ। ২০২২ সালের মধ্যে দেশ থেকে জলাতঙ্ক রোগ নির্মূল কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে তানোর পৌরসভার মেয়র ও তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল হক বলেন, জলাতঙ্ক ভাইরাসজনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ। মূলত কুকুরের কামড় বা আঁচড়ে এ রোগ ছড়ায়। এই রোগকে হাইড্রোফোবিয়া বা পাগলা রোগও বলা হয়। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি পানি দেখলেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রতিবছর জলাতঙ্ক রোগে বহু মানুষ মারা যায়। কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়ার মাধ্যমে জলাতঙ্ক রোগের বিস্তার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সরকারের পক্ষ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশ থেকে জলাতঙ্ক রোগ নির্মূলের অংশ হিসেবে কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

তানোর পৌরসভার উদ্যােগে জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরকে ভ্যাকসিন প্রদান

প্রকাশিত : ০৯:০৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১
রাজশাহীর তানোর উপজেলার তানোর পৌরসভার উদ্যােগে জলাতঙ্ক নির্মূলে কুকুরকে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তানোর উপজেলা ক্যাম্পাসে তানোর পৌরসভার মেয়র ইমরুল হকের নির্দেশে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তানোর পৌরসভার কার্য সহকারী অহেদুজ্জামান বাবু, মাহাবুর রহমান,মেজবাউল হক প্রমুখ। ২০২২ সালের মধ্যে দেশ থেকে জলাতঙ্ক রোগ নির্মূল কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে তানোর পৌরসভার মেয়র ও তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল হক বলেন, জলাতঙ্ক ভাইরাসজনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ। মূলত কুকুরের কামড় বা আঁচড়ে এ রোগ ছড়ায়। এই রোগকে হাইড্রোফোবিয়া বা পাগলা রোগও বলা হয়। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি পানি দেখলেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রতিবছর জলাতঙ্ক রোগে বহু মানুষ মারা যায়। কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়ার মাধ্যমে জলাতঙ্ক রোগের বিস্তার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সরকারের পক্ষ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশ থেকে জলাতঙ্ক রোগ নির্মূলের অংশ হিসেবে কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী।