ঢাকা রাত ১:২৯, বুধবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

নবান্নের পিঠা উৎসবে প্রাণের ছোঁয়া

কুয়াশার চাদরে এখনো ঢাকেনি গ্রাম বাংলা। এখনো শীতের আমেজে জবুথবু হয়নি গ্রামের মানুষ। কিন্তু গাঁয়ের ভোরের মেঠাপথে এখন কুয়াশার হিমশীতল পরশ। হেমন্তের শীতের পরশটা উপভোগ্য হয়ে ওঠে নবান্নেই। নতুন ধান ঘরে ওঠার আনন্দে এদিনে কৃষাণ-কৃষাণিরা উদ্বেলিত হয় । সেই আনন্দ কে ধরে রাখতে বরগুনা পাথরঘাটার উপজেলা চত্বরে আয়োজন করা হয়েছে নবান্নের পিঠা উৎসব। এই পিঠা উৎসবে সরকারি-বেসরকারি মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

এসব পিঠার স্বাদ যেমন ভিন্ন, তেমনি নামেও রয়েছে বৈচিত্র্য। যেমন- পাটিসাপটা, পোয়া, মালপোয়া, হরেক রকমের পুলিপিঠা, নকশি পিঠা, ম্যারা পিঠা, লক্ষী পিঠা, ডিমের পানচুয়া ,দুধ চিতই, গোলাপ পিঠাসহ শতাধিক পিঠার সমাহার ও পিঠা তৈরি, প্রদর্শনী ও পিঠা প্রেমীদের জন্য উৎসব মঞ্চে নৃত্য, নাটক, আবৃত্তি এবং সংগীতসহ লোকজ পরিবেশনা ।

নবান্ন পিঠা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা ২ আসনের সাংসদ শওকত হাসানুর রহমান রিমন,সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ সুলতানা নাদিরা, পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কবির, পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ আল মুজাহিদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ,পিঠা হচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্য। পিঠা পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বড় দায় । অনুষ্ঠান আজ হাজারো মানুষের আগমনে প্রাণের ছোঁয়া খুঁজে পেল। পিঠার ঐতিহ্য ধরে রাখতে আমাদের এই আয়োজন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

এ বিভাগের আরও সংবাদ