০২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কুড়িগ্রাম জেলা সদরের ১নং কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার দাবিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের জন্য ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল হক সংবাদ সম্মেলন করেছে। গত ১৯ নভেম্বর’২১ তারিখ শুক্রবার সকালে নিজ বাড়িতে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন- আমি কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম গ্রামের মৃত- বদিয়ত উল্লা ব্যাপারীর পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল হক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (৩য় ধাপ) এর স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ঘোড়া মার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছি। তিনি এ সময় দাবি করেন তার জনপ্রিয়তা এবং সম্ভাব্য বিজয়ের আশংকায় প্রতিপক্ষ প্রার্থী তাকে নানাভাবে হয়রানী করছে। তিনি বলেন- আমি ১৯৭১ইং সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তির সংগ্রামে ০৬ নং সেক্টরের অধীনে অংশগ্রহণ করি।

আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমি ১৯৮১ ইং সালে কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে ১ম বার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করি। সে সময় আমার প্রতিপক্ষ আমার জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় ভোট ছিনিয়ে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের আসন দখল করেছিলেন । একই ভাবে পরপর আরো ৩ বার আমার প্রতিপক্ষ জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিয়ে নির্বাচিত হন। আসন্ন ২৮ নভেম্বর’২০২১ইং এর কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রস্তুতি মোতাবেক আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নৌকা প্রতীকের আবেদন করলে তৃণমূলের সভায় আমাকে অপমাণ পূর্বক মিটিং থেকে বের করে দেয়। অতপর আমি বাধ্য হয়ে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করি। মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন আমার প্রস্তাব ও সমর্থনকারীকে হুমকি দিয়ে আটকিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের সময় অনুপস্থিত দেখায়। প্রাথমিক ভাবে আমার মনোনয়ন রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাতিল করলে আমি নি¤œ আদালতে আপিল করি। আপিল শোনানীর দিন প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে অপহরণ করে আটকিয়ে রাখে। অতপর ৯৯৯ যোগাযোগ করলে প্রশাসন এবং জনগণের সহায়তায় বাড়িতে ফিরে আসি। আমি মহামান্য হাইকোর্টে রিট করলে উক্ত আদালত আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। বর্তমানে আমি ঘোড়া মার্কা প্রতীকে চেযারম্যান প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছি। আমার জনপ্রিয়তায় ভিত হয়ে নিশ্চিত পরাজয় অনুভব করে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থী পক্ষের লোকজন আমার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাঁ সৃষ্টির লক্ষ্যে আমার পোস্টার, মাইকিং না করতে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি আমার পোস্টার সরঞ্জামাদি ছিনিয়ে নিচ্ছে। আমি আশংকা করছি এমন অবস্থায় কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সম্ভাবনা নাই। তাই আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার সোনার বাংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের প্রত্যয় নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক অত্র ইউনিয়নে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি করছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ০৭:২৭:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১

কুড়িগ্রাম জেলা সদরের ১নং কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার দাবিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের জন্য ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল হক সংবাদ সম্মেলন করেছে। গত ১৯ নভেম্বর’২১ তারিখ শুক্রবার সকালে নিজ বাড়িতে এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন- আমি কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম গ্রামের মৃত- বদিয়ত উল্লা ব্যাপারীর পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল হক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (৩য় ধাপ) এর স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ঘোড়া মার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছি। তিনি এ সময় দাবি করেন তার জনপ্রিয়তা এবং সম্ভাব্য বিজয়ের আশংকায় প্রতিপক্ষ প্রার্থী তাকে নানাভাবে হয়রানী করছে। তিনি বলেন- আমি ১৯৭১ইং সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তির সংগ্রামে ০৬ নং সেক্টরের অধীনে অংশগ্রহণ করি।

আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমি ১৯৮১ ইং সালে কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে ১ম বার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করি। সে সময় আমার প্রতিপক্ষ আমার জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় ভোট ছিনিয়ে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের আসন দখল করেছিলেন । একই ভাবে পরপর আরো ৩ বার আমার প্রতিপক্ষ জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিয়ে নির্বাচিত হন। আসন্ন ২৮ নভেম্বর’২০২১ইং এর কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রস্তুতি মোতাবেক আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নৌকা প্রতীকের আবেদন করলে তৃণমূলের সভায় আমাকে অপমাণ পূর্বক মিটিং থেকে বের করে দেয়। অতপর আমি বাধ্য হয়ে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করি। মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন আমার প্রস্তাব ও সমর্থনকারীকে হুমকি দিয়ে আটকিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের সময় অনুপস্থিত দেখায়। প্রাথমিক ভাবে আমার মনোনয়ন রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাতিল করলে আমি নি¤œ আদালতে আপিল করি। আপিল শোনানীর দিন প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে অপহরণ করে আটকিয়ে রাখে। অতপর ৯৯৯ যোগাযোগ করলে প্রশাসন এবং জনগণের সহায়তায় বাড়িতে ফিরে আসি। আমি মহামান্য হাইকোর্টে রিট করলে উক্ত আদালত আমার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। বর্তমানে আমি ঘোড়া মার্কা প্রতীকে চেযারম্যান প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছি। আমার জনপ্রিয়তায় ভিত হয়ে নিশ্চিত পরাজয় অনুভব করে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থী পক্ষের লোকজন আমার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাঁ সৃষ্টির লক্ষ্যে আমার পোস্টার, মাইকিং না করতে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি আমার পোস্টার সরঞ্জামাদি ছিনিয়ে নিচ্ছে। আমি আশংকা করছি এমন অবস্থায় কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সম্ভাবনা নাই। তাই আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার সোনার বাংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের প্রত্যয় নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক অত্র ইউনিয়নে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি করছি।