আজ ৮ ডিসেম্বর বুধবার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী বাহিনীর অবস্থান ঘিরে ফেলে মুহুর্মুহু আক্রমণ চালায়। পরাজিত হয় পাকিস্তানী বাহিনী। শত্রুমুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া।মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঐতিহাসিক হানাদার মুক্ত দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আজ সকাল ১১টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্ত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মিলন মেলা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকারে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।
তিনি বলেন সেদিন মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে মানুষের মাঝে স্বজন হারানোর বেদনা ছিল। তার পরও সে ব্যথা ভুলে বিজয়ের আনন্দে মেতেছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ মানুষ। হানাদার মুক্ত হওয়ার পর আমাদের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের জোনের কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জহুর আহমেদ চৌধুরী আমাদের নেতা অ্যাডভোকেট আলী আযম ভূঁইয়া, লুৎফুল হাই সাচ্চু, মাহবুবুল হুদাসহ মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন।’
তিনি আরো বলেন, যারা জাতীয় পতাকা উত্তলন করে না এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে না আমরা তাদের সাথে নাই ।
যারা বাংলা ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা রাখে না ,যারা একুশে ফেব্রুয়ারীর প্রতি শ্রদ্ধা রাখে না,যারা পহেলা প্রতি শ্রদ্ধা রাখে না,তারা স্বাধীনতার শত্রু, বাঙ্গালীর শত্রু,এই দেশ বাংলাদেশের শত্রু । আর এই গনশত্রুদের বিরুদ্ধে সকলকে রুখে দাড়াতে হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, পৌর মেয়র মিসেস নায়ার কবির ।




















