০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে দেশগড়ায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, নতুন প্রজন্মরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। সংস্কৃতিমনস্ক, সৃজনশীল, দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠতে হলে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক, সংগ্রামী ও পারিবারিক জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। তাদেরকে বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শকে ধারণ করে দেশগড়ায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।.

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী ও ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ২০২১ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।.

প্রধান অতিথি বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। তিনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব যাকে ছাড়া বাংলাদেশকে কল্পনা করা অসম্ভব। শোষণ, বঞ্চনা আর নিপীড়নের জালে বন্দি থাকা বাঙালি জাতির মুক্তির কান্ডারি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি লাল সবুজ পতাকাখচিত একটি ভূখণ্ড- বাংলাদেশ।.

শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্মের জন্য মাননীয় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এম পির নিকট হতে পুরস্কার গ্রহন করছে সাবা আক্তার

প্রতিমন্ত্রী প্রতিযোগিতা আয়োজনের সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষ করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য প্রতিযোগিদের অভিভাবকদের বিশেষ ধন্যবাদ জানান।.

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আবুল মনসুর। স্বাগত বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাবিহা পারভীন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম।

‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ২০২১ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ

 

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ, ১০ই জানুয়ারি-বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার, বঙ্গবন্ধু ও শিশুরা এবং শোকাবহ ১৫ই আগস্ট -এ সাতটি বিষয়ের উপর ছবি আঁকার জন্য ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ২০২১ -এর আয়োজন করা হয়েছে।.

প্রতিযোগিদের বয়সভিত্তিক ‘ক’ গ্রুপ শিশু ৬-১২ বছর, “খ” গ্রুপ কিশোর ১৩-১৮ বছর এবং“গ” গ্রুপ যুব ও অন্যান্য ১৯ বছরের ঊর্ধ্বে এই তিনটি গ্রুপে সাজানো হয়েছে। ১৯ জুলাই থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ পর্যন্ত সময়সীমার মধ্যে সারাদেশের ৮টি বিভাগীয় অঞ্চল থেকে বিভিন্ন বয়সের মোট ২৪৭৭ জন নির্ধারিত ইমেইলে আবেদন সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রেরণের মাধ্যমে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন।.

৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচকমন্ডলী এবং ৬ সদস্য বিশিষ্ট জুরি কমিটির সূক্ষাতিসূক্ষ বিচার বিশ্লেষণের পর প্রতিযোগিতার শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্মের জন্য সকল গ্রুপে ১টি শ্রেষ্ঠ পুরস্কার, প্রতিটি গ্রুপে ১ম, ২য় ও ৩য় মানের ৩টি করে ৩টি গ্রুপে মোট ৯টি পুরস্কার এবং ৮টি বিভাগীয় অঞ্চলে মোট ১১৪টি সাধারণ পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নোবেল পুরস্কার ঘোষণার পর তা বাতিল, হস্তান্তর কিংবা ভাগাভাগি সম্ভব নয়

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে দেশগড়ায় আত্মনিয়োগ করতে হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩:২৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২১

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, নতুন প্রজন্মরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। সংস্কৃতিমনস্ক, সৃজনশীল, দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠতে হলে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক, সংগ্রামী ও পারিবারিক জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। তাদেরকে বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শকে ধারণ করে দেশগড়ায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।.

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী ও ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ২০২১ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।.

প্রধান অতিথি বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। তিনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব যাকে ছাড়া বাংলাদেশকে কল্পনা করা অসম্ভব। শোষণ, বঞ্চনা আর নিপীড়নের জালে বন্দি থাকা বাঙালি জাতির মুক্তির কান্ডারি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি লাল সবুজ পতাকাখচিত একটি ভূখণ্ড- বাংলাদেশ।.

শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্মের জন্য মাননীয় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এম পির নিকট হতে পুরস্কার গ্রহন করছে সাবা আক্তার

প্রতিমন্ত্রী প্রতিযোগিতা আয়োজনের সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষ করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য প্রতিযোগিদের অভিভাবকদের বিশেষ ধন্যবাদ জানান।.

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আবুল মনসুর। স্বাগত বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাবিহা পারভীন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম।

‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ২০২১ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ

 

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ, ১০ই জানুয়ারি-বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার, বঙ্গবন্ধু ও শিশুরা এবং শোকাবহ ১৫ই আগস্ট -এ সাতটি বিষয়ের উপর ছবি আঁকার জন্য ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ২০২১ -এর আয়োজন করা হয়েছে।.

প্রতিযোগিদের বয়সভিত্তিক ‘ক’ গ্রুপ শিশু ৬-১২ বছর, “খ” গ্রুপ কিশোর ১৩-১৮ বছর এবং“গ” গ্রুপ যুব ও অন্যান্য ১৯ বছরের ঊর্ধ্বে এই তিনটি গ্রুপে সাজানো হয়েছে। ১৯ জুলাই থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ পর্যন্ত সময়সীমার মধ্যে সারাদেশের ৮টি বিভাগীয় অঞ্চল থেকে বিভিন্ন বয়সের মোট ২৪৭৭ জন নির্ধারিত ইমেইলে আবেদন সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রেরণের মাধ্যমে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন।.

৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচকমন্ডলী এবং ৬ সদস্য বিশিষ্ট জুরি কমিটির সূক্ষাতিসূক্ষ বিচার বিশ্লেষণের পর প্রতিযোগিতার শ্রেষ্ঠ চিত্রকর্মের জন্য সকল গ্রুপে ১টি শ্রেষ্ঠ পুরস্কার, প্রতিটি গ্রুপে ১ম, ২য় ও ৩য় মানের ৩টি করে ৩টি গ্রুপে মোট ৯টি পুরস্কার এবং ৮টি বিভাগীয় অঞ্চলে মোট ১১৪টি সাধারণ পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর