০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বার্সার নাটকীয় জয়

এবারও শুরুতেই দুই গোল করেও পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় ছিলো বার্সেলোনা। প্রথমার্ধে দুই গোল খাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে ফিরে এলচে। টানা তিন ম্যাচে জয় ছাড়া কাতালান শিবিরে তখন দুশ্চিন্তার ছাপ। এমন অবস্থায় শেষ দিকে নিকোলাস গনসালেসে লক্ষ্যভেদে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাভি হার্নান্দেজের দল।

শনিবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে নাটকীয় এক লড়াইয়ে এলচেকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে বার্সা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিন ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেয়েছে কাতালান ক্লাবটি।

ম্যাচে ১৯ মিনিটের মাথায় ২ গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। ৪ মিনিটের ব্যবধানে গোল দুটি হয়। ১৬তম মিনিটে উসমান দেম্বেলের কর্নারে লাফিয়ে উঠে হেড করে গোল করেন জুতগা ব্ল্যাঙ্ক। এর ৩ মিনিট পর ডি-বক্সে ঢুকেই ডান পায়ের কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন গাভি।

২-০ স্কোরলাইনে বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধেও ছন্দে ছিল বার্সা। কিন্তু এরই মধ্যে হঠাৎ চমক দেখায় এলচে।

এক মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল করে বার্সাকে হতভম্ব করে দেয়। ৬২তম মিনিটে ডি-বক্সে ঢুকে ডান পায়ের বুলেট গতির শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন মরেন্তে। পরের মিনিটে তার ক্রস ফাঁকায় পেয়ে হেডে সমতা ফেরান পেরে মিইয়া।

স্কোরলাইন তখন ২-২। এলচের দ্বিতীয় গোলটিতে বার্সেলোনার রক্ষণের দুর্বলতার চিত্র ভালোভাবেই ফুটে উঠেছে। ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডকে মার্ক করা দূরের কথা, তার আশেপাশেও কেউ ছিল না!

খেলার শেষভাগে গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে বার্সা। ৭২তম মিনিটে হুতগ্লাকে তুলে গনজালেসকে নামান কোচ জাভি। ২৩ বছর বয়সি এই আর্জেন্টাইনই এনে দেন জয়সূচক গোল। ডি-বক্সে গাভির পাস ধরে জোরালো শটে দলকে উচ্ছ্বাসে ভাসান তিনি।

লিগে ১৭ ম্যাচে বার্সেলোনার এটি সপ্তম জয়। সঙ্গে ছয় ড্রয়ে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছে তারা।

ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচের বেশিরভাগ সময় আধিপত্য ছিলো কাতালানদের। বল দখলের লড়াইয়ে গোটা ম্যাচে ৭৪ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রাখে দলটি। গোলমুখে শটের ক্ষেত্রেও স্বাগতিকদের দাপট। এলচের জাল লক্ষ্য করে ১৯টি শট নেয় জাভি শিষ্যরা। সফরকারী এলচে শট নিতে পারে ৮টি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সিআইডি প্রধানের জরুরী ব্রিফিং

বার্সার নাটকীয় জয়

প্রকাশিত : ০২:০১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১

এবারও শুরুতেই দুই গোল করেও পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় ছিলো বার্সেলোনা। প্রথমার্ধে দুই গোল খাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে ফিরে এলচে। টানা তিন ম্যাচে জয় ছাড়া কাতালান শিবিরে তখন দুশ্চিন্তার ছাপ। এমন অবস্থায় শেষ দিকে নিকোলাস গনসালেসে লক্ষ্যভেদে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাভি হার্নান্দেজের দল।

শনিবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে নাটকীয় এক লড়াইয়ে এলচেকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে বার্সা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিন ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেয়েছে কাতালান ক্লাবটি।

ম্যাচে ১৯ মিনিটের মাথায় ২ গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। ৪ মিনিটের ব্যবধানে গোল দুটি হয়। ১৬তম মিনিটে উসমান দেম্বেলের কর্নারে লাফিয়ে উঠে হেড করে গোল করেন জুতগা ব্ল্যাঙ্ক। এর ৩ মিনিট পর ডি-বক্সে ঢুকেই ডান পায়ের কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন গাভি।

২-০ স্কোরলাইনে বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধেও ছন্দে ছিল বার্সা। কিন্তু এরই মধ্যে হঠাৎ চমক দেখায় এলচে।

এক মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল করে বার্সাকে হতভম্ব করে দেয়। ৬২তম মিনিটে ডি-বক্সে ঢুকে ডান পায়ের বুলেট গতির শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন মরেন্তে। পরের মিনিটে তার ক্রস ফাঁকায় পেয়ে হেডে সমতা ফেরান পেরে মিইয়া।

স্কোরলাইন তখন ২-২। এলচের দ্বিতীয় গোলটিতে বার্সেলোনার রক্ষণের দুর্বলতার চিত্র ভালোভাবেই ফুটে উঠেছে। ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডকে মার্ক করা দূরের কথা, তার আশেপাশেও কেউ ছিল না!

খেলার শেষভাগে গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে বার্সা। ৭২তম মিনিটে হুতগ্লাকে তুলে গনজালেসকে নামান কোচ জাভি। ২৩ বছর বয়সি এই আর্জেন্টাইনই এনে দেন জয়সূচক গোল। ডি-বক্সে গাভির পাস ধরে জোরালো শটে দলকে উচ্ছ্বাসে ভাসান তিনি।

লিগে ১৭ ম্যাচে বার্সেলোনার এটি সপ্তম জয়। সঙ্গে ছয় ড্রয়ে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছে তারা।

ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচের বেশিরভাগ সময় আধিপত্য ছিলো কাতালানদের। বল দখলের লড়াইয়ে গোটা ম্যাচে ৭৪ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রাখে দলটি। গোলমুখে শটের ক্ষেত্রেও স্বাগতিকদের দাপট। এলচের জাল লক্ষ্য করে ১৯টি শট নেয় জাভি শিষ্যরা। সফরকারী এলচে শট নিতে পারে ৮টি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর