০৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে ওসি’র বিরুদ্ধে পুলিশ পরিদর্শকের সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানায় মামলা না নেয়ায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. ওহাব মিয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (আরআই) মো. আক্তারুজ্জামান খান। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে আক্তারুজ্জামান অভিযোগ করেন, থানার ওসি ওয়াব মিয়া মামলা না নিয়ে উল্টো তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত ২৫ নভেম্বর রাতে আক্তারুজ্জামানের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এসময় তার ঘর থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণ, নগদ এক লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। পরে তিনি ভূঞাপুর থানায় চুরির বিষয়টি অবহিত করলে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এজেডএম তৌফিক এলাহি ও এসআই ফাহিমসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওই দিন রাতেই তিনি উপজেলার শিয়ালকোল গ্রামের রাজ্জাক খান ও তার ছেলে আবির খানের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পর দিন ২৬ নভেম্বর বিকেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. ওহাব মিয়া ও এসআই ফাহিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মামলা না করার জন্য তাকে (আক্তারুজ্জামান) চাপ প্রয়োগ করেন। পরে ওইদিনই সন্ধ্যায় পুনরায় তাকে থানায় ডেকে নিয়ে বিভিন্ন হুমকি দেন এবং মামলা করলে তার ক্ষতি হবে বলেও জানিয়ে দেন ওসি ওয়াব মিয়া। এছাড়া গত ১০ ডিসেম্বর ওসি ওহাব মিয়ার নির্দেশে একটি শালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয় এবং তাকে এসআই মেহেদীর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী দিয়ে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টাও করা হয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানিয়েছেন।
পরবর্তীতে আক্তারুজ্জামান টাঙ্গাইল আদালতে আরজি পেশ করলে আদালত ২৪ ঘন্টার মধ্যে মামলা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন। পরে ১১ ডিসেম্বর মামলা রেকর্ড করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেপ্তার না করায় তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে ভ‚ঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. ওহাব মিয়া জানান, আক্তারুজ্জামান ও তার ভাইয়ের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এটি মিমাংসার জন্য বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি। তবে মামলা না নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তবে তিনি শুনেছেন এ নিয়ে শালিশ বৈঠক হয়েছে। এছাড়া ওসি জানান, দুই পক্ষই আইনজীবী নিয়ে বসলে বিষয়টি মিমাংশা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন তার প্রতিপক্ষরা।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

টাঙ্গাইলে ওসি’র বিরুদ্ধে পুলিশ পরিদর্শকের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ০৪:২২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানায় মামলা না নেয়ায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. ওহাব মিয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অবসর প্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (আরআই) মো. আক্তারুজ্জামান খান। রোববার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে আক্তারুজ্জামান অভিযোগ করেন, থানার ওসি ওয়াব মিয়া মামলা না নিয়ে উল্টো তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত ২৫ নভেম্বর রাতে আক্তারুজ্জামানের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এসময় তার ঘর থেকে ৩০ ভরি স্বর্ণ, নগদ এক লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। পরে তিনি ভূঞাপুর থানায় চুরির বিষয়টি অবহিত করলে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এজেডএম তৌফিক এলাহি ও এসআই ফাহিমসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওই দিন রাতেই তিনি উপজেলার শিয়ালকোল গ্রামের রাজ্জাক খান ও তার ছেলে আবির খানের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পর দিন ২৬ নভেম্বর বিকেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. ওহাব মিয়া ও এসআই ফাহিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মামলা না করার জন্য তাকে (আক্তারুজ্জামান) চাপ প্রয়োগ করেন। পরে ওইদিনই সন্ধ্যায় পুনরায় তাকে থানায় ডেকে নিয়ে বিভিন্ন হুমকি দেন এবং মামলা করলে তার ক্ষতি হবে বলেও জানিয়ে দেন ওসি ওয়াব মিয়া। এছাড়া গত ১০ ডিসেম্বর ওসি ওহাব মিয়ার নির্দেশে একটি শালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয় এবং তাকে এসআই মেহেদীর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী দিয়ে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টাও করা হয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানিয়েছেন।
পরবর্তীতে আক্তারুজ্জামান টাঙ্গাইল আদালতে আরজি পেশ করলে আদালত ২৪ ঘন্টার মধ্যে মামলা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন। পরে ১১ ডিসেম্বর মামলা রেকর্ড করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেপ্তার না করায় তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে ভ‚ঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. ওহাব মিয়া জানান, আক্তারুজ্জামান ও তার ভাইয়ের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এটি মিমাংসার জন্য বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি। তবে মামলা না নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তবে তিনি শুনেছেন এ নিয়ে শালিশ বৈঠক হয়েছে। এছাড়া ওসি জানান, দুই পক্ষই আইনজীবী নিয়ে বসলে বিষয়টি মিমাংশা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন তার প্রতিপক্ষরা।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ