১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচনী সহিংসতার দায় আওয়ামী লীগের নয়, নির্বাচন কমিশনের: আওয়ামী লীগ

নির্বাচনী সহিংসতার দায় আওয়ামী লীগের নয়, বরং সহিংসতা থামাতে না পারার দায় নির্বাচন কমিশনেরই বলে মন্তব্য করেছে আওয়ামী লীগ। আর সারা দেশে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনেক জায়গায় নৌকা প্রতীক হারলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়কে আওয়ামী লীগের বিজয় বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার দায় নির্বাচন কমিশনের। কারণ নির্বাচন কমিশনই সকল ক্ষমতার অধিকারী।

পঞ্চম দফার ইউপি ভোট শেষ হয়েছে। এবার ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৮০ শতাংশ। ২০১৬ সালে প্রথমবারের মত দলীয় প্রতীকে ইউপি ভোটে নির্বাচনী সহিংসতায় ৮৪ জন নিহত হয়েছিলেন। এবার এখন পর্যন্ত পঞ্চম ধাপেই নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হয়েছে ১শ ৮ জন।
ভোটের ফল বলছে, আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিদ্রোহী প্রার্থীদেরই জয় বেশি। প্রার্থী মনোনয়নে ভুলের কারণে নৌকা প্রতীকের এমন পরিণতি কি না?

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এ প্রসঙ্গে বলেন: প্রতীক হারলেও আওয়ামী লীগই বিজয়ী হচ্ছে। নির্বাচনী যে লড়াই সে লড়াইয়ে নৌকার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বিদ্রোহীদের যে সংখ্যা সেটাও কম নয়। বাইরে যারা বিজয়ী হয়েছে তারাও আওয়ামী লীগের। নির্বাচনে প্রার্থী দিতে হয় একজনকে। এর ভেতর দল দুর্বল হয়ে গেলে তো গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে মতপার্থক্য থাকতে পারে কিংবা দিন শেষে আমরা আবার এক হই, এ যোগে দলের পক্ষে কাজ করি।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলছেন, দলের টিকিট পাওয়া না পাওয়া নিয়ে নিয়ে তৃণমূলে কোনো ভাঙন সৃষ্টি হয়নি। তবে আগামীতে প্রতীক থাকবে কি থাকবে না সে বিষয়টি দল ভাবনায় রেখেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

নির্বাচনী সহিংসতার দায় আওয়ামী লীগের নয়, নির্বাচন কমিশনের: আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত : ০৪:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জানুয়ারী ২০২২

নির্বাচনী সহিংসতার দায় আওয়ামী লীগের নয়, বরং সহিংসতা থামাতে না পারার দায় নির্বাচন কমিশনেরই বলে মন্তব্য করেছে আওয়ামী লীগ। আর সারা দেশে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনেক জায়গায় নৌকা প্রতীক হারলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়কে আওয়ামী লীগের বিজয় বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার দায় নির্বাচন কমিশনের। কারণ নির্বাচন কমিশনই সকল ক্ষমতার অধিকারী।

পঞ্চম দফার ইউপি ভোট শেষ হয়েছে। এবার ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৮০ শতাংশ। ২০১৬ সালে প্রথমবারের মত দলীয় প্রতীকে ইউপি ভোটে নির্বাচনী সহিংসতায় ৮৪ জন নিহত হয়েছিলেন। এবার এখন পর্যন্ত পঞ্চম ধাপেই নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হয়েছে ১শ ৮ জন।
ভোটের ফল বলছে, আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিদ্রোহী প্রার্থীদেরই জয় বেশি। প্রার্থী মনোনয়নে ভুলের কারণে নৌকা প্রতীকের এমন পরিণতি কি না?

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এ প্রসঙ্গে বলেন: প্রতীক হারলেও আওয়ামী লীগই বিজয়ী হচ্ছে। নির্বাচনী যে লড়াই সে লড়াইয়ে নৌকার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বিদ্রোহীদের যে সংখ্যা সেটাও কম নয়। বাইরে যারা বিজয়ী হয়েছে তারাও আওয়ামী লীগের। নির্বাচনে প্রার্থী দিতে হয় একজনকে। এর ভেতর দল দুর্বল হয়ে গেলে তো গণতন্ত্র দুর্বল হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে মতপার্থক্য থাকতে পারে কিংবা দিন শেষে আমরা আবার এক হই, এ যোগে দলের পক্ষে কাজ করি।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলছেন, দলের টিকিট পাওয়া না পাওয়া নিয়ে নিয়ে তৃণমূলে কোনো ভাঙন সৃষ্টি হয়নি। তবে আগামীতে প্রতীক থাকবে কি থাকবে না সে বিষয়টি দল ভাবনায় রেখেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ