০৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জে বিউটি হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার

হবিগঞ্জে বিউটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি বাবুল মিয়াকে সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯।

শনিবার ভোর ৫টার দিকে বিয়ানীবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯-এর পরিচালক ক্যাপ্টেন মনিরুজ্জামান।

এর আগে বাবুলের শ্বশুর আব্দুল কাদির (৫০), খালা জহুর চাঁন বিবি (৬০) ও খালাত বোন ঝুমা আক্তারকে (২০) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ফরিদ মিয়ার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

নিহতের স্বজনরা জানায়, সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী বিউটিকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো দুই সন্তানের জনক বাবুল। অতিষ্ঠ হয়ে তার পরিবারের কাছে নালিশ দেন বিউটির বাবা-মা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২১শে জানুয়ারি বিউটিকে অপহরণ করে একমাস আটকে রেখে ধর্ষণ করে বাবুল।

এ ঘটনায় বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মাকে আসামি করে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৬ই মার্চ আবারও বিউটিকে অপহরণ করে বাবুল। অনেক স্থানে খোঁজা পর কোথাও না পেয়ে পরদিন ১৭ মার্চ সকালে শায়েস্তাগঞ্জ হাওরে বিউটি আক্তারের লাশ পাওয়া যায়। এরপর থেকে বাবুল পলাতক ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হবিগঞ্জে বিউটি হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত : ১২:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মার্চ ২০১৮

হবিগঞ্জে বিউটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূল আসামি বাবুল মিয়াকে সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯।

শনিবার ভোর ৫টার দিকে বিয়ানীবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৯-এর পরিচালক ক্যাপ্টেন মনিরুজ্জামান।

এর আগে বাবুলের শ্বশুর আব্দুল কাদির (৫০), খালা জহুর চাঁন বিবি (৬০) ও খালাত বোন ঝুমা আক্তারকে (২০) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ফরিদ মিয়ার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

নিহতের স্বজনরা জানায়, সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী বিউটিকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো দুই সন্তানের জনক বাবুল। অতিষ্ঠ হয়ে তার পরিবারের কাছে নালিশ দেন বিউটির বাবা-মা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২১শে জানুয়ারি বিউটিকে অপহরণ করে একমাস আটকে রেখে ধর্ষণ করে বাবুল।

এ ঘটনায় বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে বাবুল ও তার মাকে আসামি করে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৬ই মার্চ আবারও বিউটিকে অপহরণ করে বাবুল। অনেক স্থানে খোঁজা পর কোথাও না পেয়ে পরদিন ১৭ মার্চ সকালে শায়েস্তাগঞ্জ হাওরে বিউটি আক্তারের লাশ পাওয়া যায়। এরপর থেকে বাবুল পলাতক ছিলেন।