সম্প্রতি বাংলাদেশে স্কুলে ভর্তির জন্য ও শিক্ষার্থীদের টিকা গ্রহনের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবার পঞ্চম শ্রেণিতে পিএসসি পরীক্ষার সময়েও জন্ম সনদ দিতে হওয়ার কারণে জন্ম সনদের গুরুত্ব বেড়ে যায়।অনলাইনে হিড়িক পড়ে জন্ম নিবন্ধনের।অনলাইন জন্ম-নিবন্ধনের অস্বাভাবিক চাপে এখন নতুন বিপত্তির নাম ডুপ্লিকেট নিবন্ধন। অর্থাৎ আবেদনকারীর নিজের, বাবা ও মায়ের নামের সঙ্গে অন্য আরেকজনের সম্পূর্ণ মিলে যাচ্ছে। চট্টগ্রামে জেলা পর্যায়ে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন প্রায় ১৫ শতাংশেই ধরা পড়েছে এমন অনিয়ম। স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা অফিসে দেখা যায়, জন্ম নিবন্ধনের ভুল সংশোধনের জন্য লম্বা লাইন। যাদের কেউ এসেছেন জন্মতারিখ সংশোধনে, কেউ নিজের নাম আবার কেউ পিতা মাতার নাম সংশোধনে। অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের এমন ভয়াবহ চাপে নতুন বিপত্তি এখন ডুপ্লিকেট জন্ম নিবন্ধন। অর্থাৎ একজনের নাম, মা ও বাবার নাম অন্যজনের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাওয়া। কাকতালীয় হলেও তিনজনেরই নাম পুরো মিলে যাওয়ার ঘটনায় আটকে যাচ্ছে অনেক আবেদনকারীর জন্মসনদ পাওয়ার বিষয়টি। আর তা সমাধানে ঘুরে ঘুরে হয়রান তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংশোধনের আবেদনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যকই এখন এমন ডুপ্লিকেট আবেদন, যা রীতিমতো অস্বাভাবিক।
চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক বদিউল আলম জানান, ভুয়া কেউ যেন জন্মসনদ না পেতে পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক আছেন তারা। জন্ম নিবন্ধনে ভুল সংশোধনের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন অফিসে সমাধান করা যায় না, সেগুলোই নিষ্পত্তি করে স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা অফিস। শুধু ডুপ্লিকেট জন্ম সনদ বা নিবন্ধন নয়, চট্টগ্রামে সঠিক জন্ম নিবন্ধন সনদ পেতেও ভোগান্তির অন্ত নেই। ২০১১ সালের পর থেকে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করা হলেও ২০১৩ সালে সরকার আইন সংশোধন করে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়কে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব প্রধান করেন যা ২০১৬ সাল থেকে কাজ শুরু করে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















