আজ ১৫ মার্চ ছিল বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচিতে দিবসটি পালিত হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি আয়োজন করেন।
র্যালি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশ গ্রহণ করেন, র্যালি জাতীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে দোয়েল চত্বর হয়ে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এ দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিকেল ৩টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন এ আলোচনা সভার আয়োজন করেন এতে প্রধান অতিথি ছিলেন টিপু মুনশি এমপি, মন্ত্রী বানিজ্য মন্ত্রনালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাকিয়া সুলতানা সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়।
মোঃ জসিম উদ্দিন, সভাপতি এফবিসিসিআই, গোলাম রহমান, সভাপতি কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
স্বাগতম বক্তব্য দেন এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, মহাপরিচালক জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সভাপতি তপন কান্তি ঘোষ
সিনিয়র সচিব, বানিজ্য মন্ত্রনালয়।
আরো উপস্থিত ছিলেন মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার পরিচালক অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রশাসন ও অর্থ বিভাগ সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সচিব, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকই ভোক্তা। একজন ভোক্তা হিসেবে রয়েছে তার ‘ভোক্তা অধিকার’। এ অধিকার সংরক্ষণের প্রথম পদক্ষেপ হলো জনসচেতনতা বৃদ্ধি কিন্তু সে সচেতনতা সৃষ্টি না হওয়ায় ভোক্তারা পদে পদে বঞ্চিত হচ্ছে তাদের অধিকার থেকে।
বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস আজ ১৯৬২ সালের ১৫ মার্চ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি কংগ্রেসে ভোক্তার স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে বক্তৃতা দেন। ভোক্তার চারটি অধিকার সম্বন্ধে তিনি আলোকপাত করেন।
এগুলো হলো- নিরাপত্তার অধিকার,তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার,পছন্দের অধিকার এবং অভিযোগ প্রদানের অধিকার। ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘ কেনেডি বর্ণিত চারটি মৌলিক অধিকারকে আরও বিস্তৃত করে অতিরিক্ত আরও আটটি মৌলিক অধিকার সংযুক্ত করে। কেনেডির ভাষণের দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে দিনটিকে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস হিসাবে বৈশ্বিকভাবে পালন করা হয়।
বাংলাদেশে ভোক্তার স্বার্থ সংরক্ষণ ও ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কাজ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে ২০০৯ সালে সরকার ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন করে। এ আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এ অধিদপ্তর।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

























