রাজবাড়ীর পাংশা পৌরসভা এলাকায় দুই সড়কের পাশে খোলা-মেলা পরিবেশে গড়ে উঠেছে দুটি ময়লার ভাগার। ভাগাড়ে জ্বলা আগুনের ধোয়ায় অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে মহাসড়ক। এতে বাড়ছে সড়কে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। দুটি ভাগাড়ের মধ্যে পাংশা পৌর এলাকার কলেজ মোড়ে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে একটি। অপরটি একই এলাকায় পাংশা শহরে প্রবেশের একমাত্র সড়কের পাশে।
জানা যায় ২০১৮ সালে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় মর্যাদা পেয়েছে পৌরসভাটি। এমতাবস্তায় কলেজ মোড়ে মহসড়কের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার জায়গা জুড়ে একটি ও কলেজ মোড় থেকে পৌর শহরে প্রবেশ সড়কের পাশ দিয়ে প্রায় ৮০ মিটার জায়গা জুড়ে আর একটি ভাগার। ভাগার দুটির মাঝামাঝিতে গড়ে উঠেছে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন সহ অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান । এছাড়াও ভাগাড়ের আশপাশে বেশ কয়েকটি পরিবারের বসবাস রয়েছে ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাগাড়ের ময়লা-আবর্জনা পোড়ানোর জন্য ভাগাড়ে জ্বালানো হয়েছে আগুন। ভাগাড়ে জ্বলানো আগুনের ধোয়ায় অন্ধকার হয়ে আছে সড়ক। ধোয়র কারণে যান চলাচল ব্যহত হচ্ছে মহাসড়কে। আগুনের ধোয়া চোখে লাগায় কেউ কেউ চোখ বন্ধ করেই পার হচ্ছে ভাগারের ধোয়াযুক্ত এলাকা।
ভাগার এলাকায় এলেই রোমাল বা হাত দিয়ে মুখ চেপে পার হচ্ছে পথচারীরা।
ভাগাড় এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায়ই আগুন দিয়ে ভাগাড়ের ময়লা-আবর্জনা পোড়ানো হয়। একবার আগুন দিলে প্রায় ৫-৭ দিন ধরে আগুন জ্বলে। আগুন থেকে সব সময় ধোয়া হয়। সড়কে চলা গাড়িগুলো চোখে পরে না। এতে যে কোন সময় ঘটতে পারে রড় ধরণের দুর্ঘটনা। তাছাড়া আমাদেরও অনেক সমস্যা হয়।
মহসড়কের এক যাত্রীবাহি বাস চালক বলেন, প্রতিনিয়ত এই সড়কে গাড়ি চালাই। এই রাস্তায় যে গতিতে গাড়ি চলে আর এই এলাকায় যে পরিমান ধোয়া তাতে বিপরীত পাশের কিছুই দেখা জায়না। যখন-তখন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এলাকাবাসীরা জানান, ভাগারের দুর্গন্ধে এই এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে তার উপর আবার ধোয়া, কি যে বিপদের মধ্যে আছি, তা বলে বোঝাবার নয়।
এ বিষয়ে পাংশা পৌর মেয়র মো. ওয়াজেদ আলী মন্ডল বলেন, ভাগাড়ে ফেলা ময়লা-আবর্জনা থেকে দুর্ঘন্ধ ছড়ায়। দুর্ঘন্ধ কমানোর জন্যই রাতে ভাগাড়ে আগুন দেওয়া হয়। একবার আগুন দিলে শহজে নেভানো সম্ভব হয় না।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















