রাজধানীর শাহজাহানপুর এলাকায় প্রকাশ্যে সন্ত্রাসীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত সাদিয়া আফরিন প্রীতির গ্রামের বাড়িতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লার মুরাদনগরের কড়ইবাড়ী বাজারে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কড়ইবাড়ী আদর্শ সমাজকল্যান সংগঠনের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের হাতে হত্যার প্রতিবাদে লেখা বিভিন্ন ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড ছিল। বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শাখা কমিটির প্রায় ২৫০ জন কর্মী অংশগ্রহণ করেন এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে।
মানববন্ধনে এসে একাত্মতা প্রকাশ করেন ২ নং আকুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শিমুল বিল্লাল ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মানবতার ডাকে প্রত্যেয়’ বাঙ্গরা বাজার থানা সভাপতি ইয়ামিন আহমেদ জয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, নিহতের চাচা মো. সুলতান আহমেদ, মোঃ হোসেন মিয়া, পল্লী চিকিসৎক হারুনুর রশিদ। ইউপি সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচ্চু মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক, সার্ক মানবাদিকার অধিবেশন প্রতিনিধি আজহারুল ইসলাম, পীরকাশিমপুর মানবকল্যান প্রতিনিধি মো. ইমরান হোসেন ইমন, নবীনগর উপজেলা ব্লাডব্যাংক প্রতিষ্ঠাতা মো. আব্দুল্লাহ প্রমুখ। নিহত সাদিয়া আফরিন প্রীতি (২৪) উপজেলার কড়ইবাড়ি গ্রামের জামাল উদ্দিনের মেয়ে। সে রাজধানীর বদরুন্নেছা সরকারি কলেজের সম্মান শ্রেণীতে পড়তেন এবং বাবা মায়ের সঙ্গে মালিবাগের শান্তিবাগ এলাকার ২১৮ নম্বর ভাড়া বাসায় থাকতেন। উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক শাহজাহানপুরের আমতলা মসজিদ এলাকায় প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে (৫৪) গুলি করে হত্যা করা হয়। এসময় এলোপাতাড়ি গুলিতে রিকশারোহী কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিন প্রীতি নিহত হন। টিপুর গাড়িচালক মনির হোসেন মুন্নাও গুলিতে আহত হন। এ ঘটনায় গত ২৭ মার্চ রোববার বগুরা থেকে মাসুদ আহমেদ ওরফে আকাশ নামে একজনকে আটক করা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















