০৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেঙ্গে গেছে হাওরের অনেক বাধ

হঠাৎ ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেঙ্গে গেছে হাওরের অনেক বাধ হুমকির মুখে জিয়ল বাধ সহ অনেক বাধ তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের বোর ফসল। উজান থেকে নেমে আসা পানি আর পাহাড়ী ঢলে হঠাৎ সুরমা, কুশিয়ারা, ধনু নদী সহ অন্যান্য নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে হাওর অঞ্চলের আগত উৎপাদিত বোর ধান। বিগত চার পাঁচ দিনের মুসলদ্বারে বৃষ্টির কারণে হাওরের নদ-নদী, খাল, বিলের বাধ গুলোর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। ইতিমধ্যে স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে বাধ নির্মাণের কাজ করছে এলাকার কৃষকগণ। ইটনা উপজেলা মৃগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ দারুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও এলাকার লোকজনের সহায়তায় বাবুন দিগা বাধটি বাধা হয়েছে, তবে হুমকির মুখে আছে। যেকোন সময় বাধটি ভেঙ্গে যেতে পারে। এছাড়া গাছ গরিয়া, গুজিবিলের বাধ ভেঙ্গে কয়েকশত একর নিচু জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। লাইমপাশার কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন, আমি এক একর দশ শতাংশ জমিতে বোর আবাদ করেছিলাম বাধ ভেঙ্গে জমির সকল ধান তলিয়ে গেছে। পূর্বপাড়ার আলাল উদ্দিন বলেন, আমি তিন একর জমিতে বোর ধান রোপন করেছিলাম, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে আমার এক একর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। কৃষক তালেব বলেন, আমার প্রায় নব্বই শতাংশ বোর ধানের ফসল বাধ ভেঙ্গে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এখন আমি কি করব বুঝতে পারছিনা। ইটনা উপজেলা কৃষি অফিসার উজ্জল সাহা বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় দুই থেকে আড়াইশত হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। আজ পানি স্থিতিশীল তবে উপজেলার সকল বাধই হুমকির মুখে আছে। আমরা খুবই আতংকিত। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অব্যাহত থাকলে প্রতিদিন নতুন বাধ ভাঙ্গা আর কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গের আহাজারী খবর শুনতে হবে। এজন্য হাওরের নদী গুলো খনন করে পানির ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেঙ্গে গেছে হাওরের অনেক বাধ

প্রকাশিত : ০৫:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ এপ্রিল ২০২২

হঠাৎ ধনু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেঙ্গে গেছে হাওরের অনেক বাধ হুমকির মুখে জিয়ল বাধ সহ অনেক বাধ তলিয়ে যাচ্ছে হাওরের বোর ফসল। উজান থেকে নেমে আসা পানি আর পাহাড়ী ঢলে হঠাৎ সুরমা, কুশিয়ারা, ধনু নদী সহ অন্যান্য নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে হাওর অঞ্চলের আগত উৎপাদিত বোর ধান। বিগত চার পাঁচ দিনের মুসলদ্বারে বৃষ্টির কারণে হাওরের নদ-নদী, খাল, বিলের বাধ গুলোর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। ইতিমধ্যে স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে বাধ নির্মাণের কাজ করছে এলাকার কৃষকগণ। ইটনা উপজেলা মৃগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ দারুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও এলাকার লোকজনের সহায়তায় বাবুন দিগা বাধটি বাধা হয়েছে, তবে হুমকির মুখে আছে। যেকোন সময় বাধটি ভেঙ্গে যেতে পারে। এছাড়া গাছ গরিয়া, গুজিবিলের বাধ ভেঙ্গে কয়েকশত একর নিচু জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। লাইমপাশার কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন, আমি এক একর দশ শতাংশ জমিতে বোর আবাদ করেছিলাম বাধ ভেঙ্গে জমির সকল ধান তলিয়ে গেছে। পূর্বপাড়ার আলাল উদ্দিন বলেন, আমি তিন একর জমিতে বোর ধান রোপন করেছিলাম, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে আমার এক একর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। কৃষক তালেব বলেন, আমার প্রায় নব্বই শতাংশ বোর ধানের ফসল বাধ ভেঙ্গে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এখন আমি কি করব বুঝতে পারছিনা। ইটনা উপজেলা কৃষি অফিসার উজ্জল সাহা বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় দুই থেকে আড়াইশত হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। আজ পানি স্থিতিশীল তবে উপজেলার সকল বাধই হুমকির মুখে আছে। আমরা খুবই আতংকিত। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অব্যাহত থাকলে প্রতিদিন নতুন বাধ ভাঙ্গা আর কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গের আহাজারী খবর শুনতে হবে। এজন্য হাওরের নদী গুলো খনন করে পানির ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর