নীলফামারীর ডিমলায় রোববার বিকেলে হটাৎ করে তেরে আসা ঘুর্নিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে প্রায় ৫ শতাধিক বসতবাড়ি গাছপালা ও উঠতি ফসল লন্ডভন্ড হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘুর্নিঝড়ের হানায় দুমড়ে মুচরে উড়ে নিয়ে গেছে কাচা পাকা ঘড়ের টিনের চালা। এছাড়া বেশকিছু আধাপাকা বসতবাড়ি ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চলাচলের রাস্তায় উপড়ে পড়েছে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুটি। ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারগুলি খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। রাস্তার ওপড় ভেঙ্গে পড়া গাছপালা সরাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিলো কয়েক ঘন্টা।
ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী জানান, ঘুর্নিঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে উপজেলার ১২৫০ হেক্টর বোরো ধান, ১০৫০ হেক্টর ভুট্রা, ২৮ হেক্টর মরিচ, ১০ হেক্টর শাকসবজি ও ৫ হেক্টর জমির পাট আক্রান্ত হয়েছে। প্রাকৃতিক ঘুর্নিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকদের পুনর্বাসনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবর সুপারিশ করা হয়েছে। ডিমলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান বলেন, ঘুর্নিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের তালিকা করতে প্রতিটি ইউপি চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তালিকা হাতে না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের সঠিক সংখ্যা বলা সম্ভব হচ্ছেনা। তবে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারদের পুনর্বাসিত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে। ডিমলা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সরকার জানান, মাত্র ১০ মিনিটের এই ঘুর্নিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে উঠতি ফসল ভুট্রা, ধান, পাট, মরিচ, শাকসবজি, গাছপালা ও বসত বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বেশকিছু বাড়ি-ঘরে ওপর গাছ পড়ে ক্ষতির পরিমান বেড়েছে। আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ হতে সদর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ্য প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের মাঝে যথাসম্ভব সাহায্য প্রদান করেছি। এছাড়া তালিকা প্রস্তুত হলেই ক্ষতিগ্রস্থ্য সকল পরিবার সরকারী সাহায্য পাবে। ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, উপজেলার প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্থ্য এলাকা তাৎক্ষনিক স্বরেজমিন পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ্য পবিারগুলিকে দ্রত সাহায্য প্রদান করতে জনপ্রতিনিধিদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য বলা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















