০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

সরাইলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘর বাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এতে কারও হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার দিবাগত রাত ৩টায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ওপর দিয়ে এই ঝড় ও শিলাবৃষ্টি বয়ে গেছে। এতে অসংখ্য বাড়ি ঘর দুমরে মুচরে ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়ে যায় এবং শিলা বৃষ্টিতে ফসলের মারত্মক ক্ষতি হয়।

খোঁজ নিয়ে ও সরেজমিনে দেখা যায়, অরুয়াইল, পাকশিমুল, রাণীদিয়া, দুবাজাইল, পানিশ্বহর, শাহজাদাপুরসহ ঝড়ের আঘাতে অধিকাংশ বাড়ি ঘর, টিনশেড ঘর, গাছপালা ভেঙে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে জীবন যাপন করছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবাররা জানান, রোববার দিবাগত রাত ৩টায় হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরেই প্রবল বেগে ঝড় শুরু হয়। নিমিষেই ঘরবাড়ি দোকানপাট লন্ডভন্ড করে দেয়। এ ঘটনায় অনেক মানুষ নিজের ঘরসহ আসবাবপত্র রক্ষা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন।

শিলা বৃষ্টিতে তেমন ক্ষতি না হলেও ঝড়ো বাতাসে পাকা ধানের গাছ হেলে পড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানান কৃষকরা। এমনকি অনেক কৃষকের জমির পাকা ধান শিলার আঘাতে একেবারেই নিশ্চিন্হ হয়ে যায়।বৈশাখের আগেই কালবৈশাখীর হঠাৎ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও সাধারন মানুষ দিশেহারা।

শাহজাদাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসমা বেগম জানান, শাহজাদাপুর ইউনিয়নের বেশকিছু বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, গাছ পালাসহ বি আর ২৮ পাকা ধান শিলাবৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পাকশিমুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাউছার আহমেদ জানান, জয়ধর কান্দি করিমপুর গ্রামের ১০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, ফসলী জমি নষ্ট হয়েছে অর্ধশতাধিক গাছ পড়ে গেছে।

এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ একরাম হোসেন জানান, দিবাগত রাতে হঠাৎ করে শুরু হওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে শিলাবৃষ্টির কারণে কৃষকের পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাহার তালিকা করছি। একই সাথে কৃষকরা যেন ক্ষতির মুখে না পড়েন, সেদিকে লক্ষ্য রেখে কৃষি সম্প্রসারণ এর কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের কাজ করবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরাইলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘর-বাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত : ০৫:৫২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘর বাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এতে কারও হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার দিবাগত রাত ৩টায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ওপর দিয়ে এই ঝড় ও শিলাবৃষ্টি বয়ে গেছে। এতে অসংখ্য বাড়ি ঘর দুমরে মুচরে ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়ে যায় এবং শিলা বৃষ্টিতে ফসলের মারত্মক ক্ষতি হয়।

খোঁজ নিয়ে ও সরেজমিনে দেখা যায়, অরুয়াইল, পাকশিমুল, রাণীদিয়া, দুবাজাইল, পানিশ্বহর, শাহজাদাপুরসহ ঝড়ের আঘাতে অধিকাংশ বাড়ি ঘর, টিনশেড ঘর, গাছপালা ভেঙে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে জীবন যাপন করছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবাররা জানান, রোববার দিবাগত রাত ৩টায় হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরেই প্রবল বেগে ঝড় শুরু হয়। নিমিষেই ঘরবাড়ি দোকানপাট লন্ডভন্ড করে দেয়। এ ঘটনায় অনেক মানুষ নিজের ঘরসহ আসবাবপত্র রক্ষা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন।

শিলা বৃষ্টিতে তেমন ক্ষতি না হলেও ঝড়ো বাতাসে পাকা ধানের গাছ হেলে পড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানান কৃষকরা। এমনকি অনেক কৃষকের জমির পাকা ধান শিলার আঘাতে একেবারেই নিশ্চিন্হ হয়ে যায়।বৈশাখের আগেই কালবৈশাখীর হঠাৎ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও সাধারন মানুষ দিশেহারা।

শাহজাদাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসমা বেগম জানান, শাহজাদাপুর ইউনিয়নের বেশকিছু বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, গাছ পালাসহ বি আর ২৮ পাকা ধান শিলাবৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পাকশিমুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাউছার আহমেদ জানান, জয়ধর কান্দি করিমপুর গ্রামের ১০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, ফসলী জমি নষ্ট হয়েছে অর্ধশতাধিক গাছ পড়ে গেছে।

এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ একরাম হোসেন জানান, দিবাগত রাতে হঠাৎ করে শুরু হওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে শিলাবৃষ্টির কারণে কৃষকের পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাহার তালিকা করছি। একই সাথে কৃষকরা যেন ক্ষতির মুখে না পড়েন, সেদিকে লক্ষ্য রেখে কৃষি সম্প্রসারণ এর কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের কাজ করবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর