০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টারের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

 বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টারের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত পূর্ব সাহেবপাড়া জামে মসজিদে বাদ ফজর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব জগতপুর জামে মসজিদে বাদ জোহর দোয়া মাহফিল ও কবর জিয়ারত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জের আল-হেরা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি ‘নুরুল আমিনের রক্ত চাই, মাতৃভাষা বাংলা চাই’ প্রভৃতি শ্লোগানের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে মিছিল-মিটিংয়ে নেতৃত্ব দেন।

জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি সরকারিভাবে ভাষাসৈনিকদের তালিকা তৈরি ও গেজেটভুক্ত করা, উচ্চ আদালতের রায় বাংলায় প্রদান, বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে পেতে বিদেশি মিশনগুলোর ব্যাপক তৎপরতা ও বাংলা ভাষার উৎকর্ষ সাধনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কার্যকর ভূমিকা দাবি করে বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে দেশব্যাপি আলোচিত হন।তাঁর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টার স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ মহসীন ও সদস্য সচিব ইনকিলাব সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ এক বিবৃতিতে দেশবাসীর কাছে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া চেয়েছেন।তারা মরহুম এই ভাষাসৈনিকের নামে কুমিল্লার একটি সড়কের নামকরণের দাবি জানান। তাঁর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘স্মৃতির আয়নায় ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টার’ নামে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী, সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু, সাবেক এমপি অধ্যাপক মো. ইউনুস, ঢাবির সাবেক ভিসি অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিক, ভাষাসৈনিক মোহাম্মদ আবদুল গফুর, ভাষাসৈনিক রেজাউল করিম, একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি অসীম সাহা, বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, ঢাবি অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুল জলিল চৌধুরী, অধ্যাপক ড. এএসএম আতীকুর রহমান ও অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম, বুড়িচং উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আখলাক হায়দার, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন, ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন ফরাজীসহ ৫৮ জনের লেখা ও বাণী এতে স্থান পায়।তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গ্রন্থটি ব্যাপকভাবে বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। উল্লেখ্য, ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টার উত্তর জগতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।তার পূর্বে বুড়িচং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং উপজেলার মাশরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টারের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত : ০৯:১৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল ২০২২

 বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টারের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত পূর্ব সাহেবপাড়া জামে মসজিদে বাদ ফজর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব জগতপুর জামে মসজিদে বাদ জোহর দোয়া মাহফিল ও কবর জিয়ারত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জের আল-হেরা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি ‘নুরুল আমিনের রক্ত চাই, মাতৃভাষা বাংলা চাই’ প্রভৃতি শ্লোগানের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে মিছিল-মিটিংয়ে নেতৃত্ব দেন।

জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি সরকারিভাবে ভাষাসৈনিকদের তালিকা তৈরি ও গেজেটভুক্ত করা, উচ্চ আদালতের রায় বাংলায় প্রদান, বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে পেতে বিদেশি মিশনগুলোর ব্যাপক তৎপরতা ও বাংলা ভাষার উৎকর্ষ সাধনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কার্যকর ভূমিকা দাবি করে বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকায় বিবৃতি দিয়ে দেশব্যাপি আলোচিত হন।তাঁর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টার স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ মহসীন ও সদস্য সচিব ইনকিলাব সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ এক বিবৃতিতে দেশবাসীর কাছে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া চেয়েছেন।তারা মরহুম এই ভাষাসৈনিকের নামে কুমিল্লার একটি সড়কের নামকরণের দাবি জানান। তাঁর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘স্মৃতির আয়নায় ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টার’ নামে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী, সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু, সাবেক এমপি অধ্যাপক মো. ইউনুস, ঢাবির সাবেক ভিসি অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিক, ভাষাসৈনিক মোহাম্মদ আবদুল গফুর, ভাষাসৈনিক রেজাউল করিম, একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি অসীম সাহা, বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, ঢাবি অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুল জলিল চৌধুরী, অধ্যাপক ড. এএসএম আতীকুর রহমান ও অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম, বুড়িচং উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আখলাক হায়দার, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন, ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন ফরাজীসহ ৫৮ জনের লেখা ও বাণী এতে স্থান পায়।তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গ্রন্থটি ব্যাপকভাবে বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়। উল্লেখ্য, ভাষাসৈনিক আবদুর রাজ্জাক মাস্টার উত্তর জগতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।তার পূর্বে বুড়িচং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং উপজেলার মাশরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।