০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

সিরাজগঞ্জে বাড়ছে সজিনা চাষ

সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে বাড়ির পাশের অনাবাদি জমিতে সজিনা চাষ করে পুষ্টির পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন কৃষক। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সজিনার বাম্পার ফলনের আশা করছেন এ অঞ্চলের চাষীরা।

জানা যায়, উল্লাপাড়া উপজেলার প্রায় সব বাড়িতে তিন-চারটি সজিনা গাছসহ জমির আইলে, রাস্তার পাশেও সজিনা গাছ লাগানো হয়েছে। এ বছর সজিনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখানকার সজিনা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়ে থাকে। স্থানীয় বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি সজিনার মূল্য ৬০ টাকা হতে ৭০ টাকা, ভালো দাম পাওয়ায় পাওয়ায় কৃষকরা খুশি।

এ উপজেলার পাটধারী এলাকার সজিনা চাষি আব্দুল মান্নান প্রামাণিক বলেন, বাড়ির সামনে রাস্তার ধারে ২টি সজিনার গাছ লাগানো হয়েছিল। গত বছর ওইসব সজিনার গাছ থেকে অনেক টাকার সজিনা বিক্রি করেছি, আশা করছি এবারও সজিনার বাম্পার ফলন পাব।

উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি বলেন, বাজারে পুষ্টিগুণ ও চাহিদার কারণে প্রতি বছর এর চাহিদা বাড়ছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় চলতি বছর সজিনার ভালো ফলন হয়েছে। এছাড়া সজিনা গাছের তেমন কোন রোগ-বালাই নেই বললেই চলে এবং অন্যান্য খরচও নেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে বাড়ছে সজিনা চাষ

প্রকাশিত : ০২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল ২০২২

সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে বাড়ির পাশের অনাবাদি জমিতে সজিনা চাষ করে পুষ্টির পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন কৃষক। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সজিনার বাম্পার ফলনের আশা করছেন এ অঞ্চলের চাষীরা।

জানা যায়, উল্লাপাড়া উপজেলার প্রায় সব বাড়িতে তিন-চারটি সজিনা গাছসহ জমির আইলে, রাস্তার পাশেও সজিনা গাছ লাগানো হয়েছে। এ বছর সজিনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখানকার সজিনা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়ে থাকে। স্থানীয় বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি সজিনার মূল্য ৬০ টাকা হতে ৭০ টাকা, ভালো দাম পাওয়ায় পাওয়ায় কৃষকরা খুশি।

এ উপজেলার পাটধারী এলাকার সজিনা চাষি আব্দুল মান্নান প্রামাণিক বলেন, বাড়ির সামনে রাস্তার ধারে ২টি সজিনার গাছ লাগানো হয়েছিল। গত বছর ওইসব সজিনার গাছ থেকে অনেক টাকার সজিনা বিক্রি করেছি, আশা করছি এবারও সজিনার বাম্পার ফলন পাব।

উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি বলেন, বাজারে পুষ্টিগুণ ও চাহিদার কারণে প্রতি বছর এর চাহিদা বাড়ছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় চলতি বছর সজিনার ভালো ফলন হয়েছে। এছাড়া সজিনা গাছের তেমন কোন রোগ-বালাই নেই বললেই চলে এবং অন্যান্য খরচও নেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর