১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

সংবাদকর্মীকে হত্যা “বিচারের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন”

কুমিল্লার বুড়িচংয়ের সীমান্তে সংবাদকর্মী নাঈমকে গুলি করে হত্যা করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা।

নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন ওরফে নাঈম সরকারের (২৮) গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণপাড়ায় চলছে শোকের মাতম। পরিবারের লোকজন মহিউদ্দিনকে হারিয়ে বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন। আত্মীয়-স্বজনসহ গ্রামের লোকজন বাড়িতে এসে স্বান্তনা দিচ্ছেন। এ ঘটনায় নিন্দা জানাচ্ছেন কুমিল্লা,বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ায় কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকরা। তারা খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছেন।

সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের সংকুচাইল হায়দারাবাদ ভারত সীমান্ত এলাকায় একদল মাদক ব্যবসায়ী গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুলি করে হত্যা করেছে।

নিহত মহিউদ্দিন সরকার ওরফে নাঈম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের অলুয়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে। সে কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত কুমিল্লার ডাক পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ছিলেন। এর আগে সে আনন্দ টেলিভিষনের ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং প্রতিনিধি ছিলেন। নিহত মহিউদ্দিন দুই ভাই আর এক বোনের মধ্যে সবার বড় ছিল। ছোট ভাই হৃদয় সরকার সৌদি আরবে থাকেন। একমাত্র বোন শারমিন আক্তার কুমিল্লা শহরে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। নিহতের বাবা মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ পুলিশে দীর্ঘ ৩৪ বছর চাকুরী শেষে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন ওরফে নাঈম সরকারের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন দীর্ঘদিনের সহকর্মী সাংবাদিক ও বন্ধু বান্ধবদের ভিড়।

মা নাজমা বেগম ছেলেকে হারিয়ে বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন। পরে একটি গাড়ীতে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আর ঘরের এক পাশে শুয়ে শুয়ে কাধঁছেন মহিউদ্দিনের অসুস্থ্য বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মোশাররফ হোসেন সরকার। তিনি বলেন,আমি খুবই অসুস্থ। দীর্ঘ ৩৪ বছর পুলিশে চাকুরী করেছি। ছেলেকে সব সময় ন্যায়ের পথে থাকার কথা বলেছি এবং শিখিয়েছি। আজ ছেলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে মারা গেছে। আমি ছেলের খুনিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছি।

নিহত মহিউদ্দিনের একমাত্র বোন শারশিন আক্তারও বিলাপ করে কাধঁছিলেন। তিনি বলেন, আমার ভাই কখনো মাথা নত করে কাজ করেনি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লেখা-লেখি করতে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে মারা গেছে। আমি তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছি।

নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিনের দীর্ঘদিনের বন্ধু স্থানীয় সাংবাদিক মাহফুজ বাবু বলেন, মহিউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা করছেন। সব-সময় মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রেরণ করেন। মাদক ব্যবসায়ীরা তার প্রতি ক্ষিপ্ত ছিলেন। তিনি বলেন, বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের সংকুচাইল এলাকার চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী রাজু। গত ২৬ মার্চ মহিউদ্দিন পেশাগত কাজে সংকুচাইল গেলে বাগ-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে রাজু তাকে চর থাপ্পর মারে। তিনি বলেন, ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে রাজু কৌশলে কয়েকজনকে দিয়ে গত বুধবার রাতে সংকুচাইল হায়দারাবাদ সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখানে ৩০-৪০জন লোক এসে কয়েকজন পরপর ছয়টি গুলি করে খুন করেছে। আমরা তার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছি।

নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিনের প্রতিবেশী আইনজীবি জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া বলেন, সাংবাদিক মহিউদ্দিন খুবই ভাল মানুষ ছিল। এলাকার যেকোন ভাল কাজে তাকে পাওয়া যেত। মহিউদ্দিনের খুনীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি।

ব্রাহ্মণপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আহাম্মদ লাভলু বলেন, সাংবাদিক মহিউদ্দিন মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, মহিউদ্দিনের খুনীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে সাংবাদিক মহিউদ্দিন মারা গেছেন। সুরোতহালে দেখা গেছে, তার বুকে ছয়টি গুলি করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার নাঈমের মা নাজমা আক্তার বাদী হয়ে রাজুকে প্রধান আসামি এবং ৩জন নামীয় ও অজ্ঞাত ৬/৭ জনকে আসামি করে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই দিন রাত ১১টায় কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ২জন ফরহাদ মৃধা (৩৮) ও পলাশ মিয়া (৩৪) এবং সন্দেহভাজন ২জন নুরুমিয়া ও সুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রধান আসামি রাজু আদর্শ সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের সাদেক মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিনের লাশের সুরুতহাল সম্পন্ন করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে লাশবাহী একটি এ্যাম্বুলেন্সযোগে মহিউদ্দিনের লাশ তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মনপাড়ার অলুয়া সরকার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল ৫ টায় অলুয়া জামে মসজিদের সামনে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহান সরকার ও বুড়িচং থানার ওসি আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানান, নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিনের হত্যার সাথে জড়িত অন্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যে পিস্তল দিয়ে গুলি করা হয়েছে সেটার উদ্ধারেও অভিযান চলছে। অপরদিকে শুক্রবার সকালে এঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটি, বুড়িচং প্রেসক্লাব ও কুমিল্লা ফটোসাংবাদিক ফোরাম কান্দিরপাড় পুবালী চত্তর ও প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদকর্মীকে হত্যা “বিচারের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন”

প্রকাশিত : ০৯:০৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২

কুমিল্লার বুড়িচংয়ের সীমান্তে সংবাদকর্মী নাঈমকে গুলি করে হত্যা করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা।

নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন ওরফে নাঈম সরকারের (২৮) গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণপাড়ায় চলছে শোকের মাতম। পরিবারের লোকজন মহিউদ্দিনকে হারিয়ে বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন। আত্মীয়-স্বজনসহ গ্রামের লোকজন বাড়িতে এসে স্বান্তনা দিচ্ছেন। এ ঘটনায় নিন্দা জানাচ্ছেন কুমিল্লা,বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ায় কর্মরত স্থানীয় সাংবাদিকরা। তারা খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছেন।

সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের সংকুচাইল হায়দারাবাদ ভারত সীমান্ত এলাকায় একদল মাদক ব্যবসায়ী গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুলি করে হত্যা করেছে।

নিহত মহিউদ্দিন সরকার ওরফে নাঈম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের অলুয়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে। সে কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত কুমিল্লার ডাক পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ছিলেন। এর আগে সে আনন্দ টেলিভিষনের ব্রাহ্মণপাড়া-বুড়িচং প্রতিনিধি ছিলেন। নিহত মহিউদ্দিন দুই ভাই আর এক বোনের মধ্যে সবার বড় ছিল। ছোট ভাই হৃদয় সরকার সৌদি আরবে থাকেন। একমাত্র বোন শারমিন আক্তার কুমিল্লা শহরে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। নিহতের বাবা মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ পুলিশে দীর্ঘ ৩৪ বছর চাকুরী শেষে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন ওরফে নাঈম সরকারের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন দীর্ঘদিনের সহকর্মী সাংবাদিক ও বন্ধু বান্ধবদের ভিড়।

মা নাজমা বেগম ছেলেকে হারিয়ে বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন। পরে একটি গাড়ীতে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আর ঘরের এক পাশে শুয়ে শুয়ে কাধঁছেন মহিউদ্দিনের অসুস্থ্য বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মোশাররফ হোসেন সরকার। তিনি বলেন,আমি খুবই অসুস্থ। দীর্ঘ ৩৪ বছর পুলিশে চাকুরী করেছি। ছেলেকে সব সময় ন্যায়ের পথে থাকার কথা বলেছি এবং শিখিয়েছি। আজ ছেলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে মারা গেছে। আমি ছেলের খুনিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছি।

নিহত মহিউদ্দিনের একমাত্র বোন শারশিন আক্তারও বিলাপ করে কাধঁছিলেন। তিনি বলেন, আমার ভাই কখনো মাথা নত করে কাজ করেনি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লেখা-লেখি করতে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে মারা গেছে। আমি তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছি।

নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিনের দীর্ঘদিনের বন্ধু স্থানীয় সাংবাদিক মাহফুজ বাবু বলেন, মহিউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা করছেন। সব-সময় মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রেরণ করেন। মাদক ব্যবসায়ীরা তার প্রতি ক্ষিপ্ত ছিলেন। তিনি বলেন, বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের সংকুচাইল এলাকার চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী রাজু। গত ২৬ মার্চ মহিউদ্দিন পেশাগত কাজে সংকুচাইল গেলে বাগ-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে রাজু তাকে চর থাপ্পর মারে। তিনি বলেন, ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে রাজু কৌশলে কয়েকজনকে দিয়ে গত বুধবার রাতে সংকুচাইল হায়দারাবাদ সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখানে ৩০-৪০জন লোক এসে কয়েকজন পরপর ছয়টি গুলি করে খুন করেছে। আমরা তার দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করছি।

নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিনের প্রতিবেশী আইনজীবি জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া বলেন, সাংবাদিক মহিউদ্দিন খুবই ভাল মানুষ ছিল। এলাকার যেকোন ভাল কাজে তাকে পাওয়া যেত। মহিউদ্দিনের খুনীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি।

ব্রাহ্মণপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আহাম্মদ লাভলু বলেন, সাংবাদিক মহিউদ্দিন মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, মহিউদ্দিনের খুনীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে সাংবাদিক মহিউদ্দিন মারা গেছেন। সুরোতহালে দেখা গেছে, তার বুকে ছয়টি গুলি করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার নাঈমের মা নাজমা আক্তার বাদী হয়ে রাজুকে প্রধান আসামি এবং ৩জন নামীয় ও অজ্ঞাত ৬/৭ জনকে আসামি করে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই দিন রাত ১১টায় কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ২জন ফরহাদ মৃধা (৩৮) ও পলাশ মিয়া (৩৪) এবং সন্দেহভাজন ২জন নুরুমিয়া ও সুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রধান আসামি রাজু আদর্শ সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের সাদেক মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিনের লাশের সুরুতহাল সম্পন্ন করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে লাশবাহী একটি এ্যাম্বুলেন্সযোগে মহিউদ্দিনের লাশ তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মনপাড়ার অলুয়া সরকার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল ৫ টায় অলুয়া জামে মসজিদের সামনে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহান সরকার ও বুড়িচং থানার ওসি আলমগীর হোসেন সাংবাদিকদের জানান, নিহত সাংবাদিক মহিউদ্দিনের হত্যার সাথে জড়িত অন্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যে পিস্তল দিয়ে গুলি করা হয়েছে সেটার উদ্ধারেও অভিযান চলছে। অপরদিকে শুক্রবার সকালে এঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটি, বুড়িচং প্রেসক্লাব ও কুমিল্লা ফটোসাংবাদিক ফোরাম কান্দিরপাড় পুবালী চত্তর ও প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর