লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুত্বর জখম নারীসহ ১২ জনকে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে নেয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার বিকালে (১৭ এপ্রিল) উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউপির খাসেরহাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বাড়িতে যাতায়াতের একটি রাস্তা নিয়ে ওই গ্রামের সাইদুর রহমকন সঙ্গে তারই ভাতিজা আলআমিনের পরিবারদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে শনিবার বিকালে দুই পক্ষ কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সাইদুরসহ তার পক্ষের লোকজন আলআমিন পরিবারের কয়েকটি জায়গা ভাংচুর করে। এরই জের ধরে সন্ধায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। একপর্যায়ে খাসেরহাটের ইউপি সদস্য মফিজুর রহমানসহ স্থানীয়রা দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামায়। আহতদের উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে নেয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১২ জনকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় আমেনা বেগম (৪৫), স্বপ্না বেগম (২২), খলিল মাঝি (৫০), সাইদুর রহমান (৬৬), সোহেল মাঝি (৩২), নাজমা (৩৫), আল আমিন মাঝি (২৮), ফরিদ গাজি (২৪), লিটন খাঁ (২৬), সুমাইয়া (২১), ও সেলিনা বেগম ২৪) কে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।।
ডাক্তার নাহিদা আক্তার বলেন, আমেনা বেগমের হাত ভেঙ্গে গেছে। আলআমিনের মাথা ও পিঠে কুপাঘাতসহ সবারই মারাত্মক জখম হয়েছে।।সবাইকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাবশালী সাইদুর রহমান ও দরিদ্র সিএনজি চালক আল আমিন তাদের বাড়ীর রাস্তা নিয়ে পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন।
উত্তর চরবংশী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন হাওলাদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মিমাংসার জন্য কয়েকদিন আগে দুই পক্ষকে ডেকে ছিলাম। কিন্তু সাইদুর মাঝি না এসে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে গেলো।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া জানান, হাজিমারা ফাঁড়ি পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত-কেউ আটক হয়নি এবং কোন পক্ষ মামলা করেনি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















