০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিমুলিয়া ঘাটে মানুষের ঢল

ঈদকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের ঢল নেমেছে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। বিশেষ করে মোটরসাইকেলে আসা যাত্রীদের উপচে পড়া ভির সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে পদ্মা পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে ঘাটে আসছেন হাজার হাজার যাত্রী। মোটরসাইকেল ও যাত্রী পারাপারে হিমশিম অবস্থায় ঘাট কর্তৃপক্ষ। ফেরির পাশাপাশি লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটেও যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে পদ্মা পাড়ি দিতে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, যানবাহন পারাপারে একটি রো রো, দুটি মিনি রো রো, দুটি কে টাইপ ও দুটি ডাম্পসহ ১০টি ফেরি চলাচল করছে। বিপুল সংখ্যক মোটরসাইকেল রয়েছে ১নং ফেরিঘাটে। এই ঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে। সকাল থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি কুঞ্জলতা ও ক্যামেলিয়াসহ কয়েকটি ফেরি পারা করছে হাজার হাজার মোটরসাইকেল। এরপরও মোটরসাইকেলের চাপ কমছে না। পন্টুনের অভিমুখ থেকে পার্কিং ইয়ার্ড সড়কে শুধু মোটরসাইকেল।

অন্যদিকে স্পিডবোট ও লঞ্চঘাটেও যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লঞ্চে গাদাগাদি ভিড়, লঞ্চঘাটের অ্যাপ্রোচ সড়ক ও সিঁড়িতে যাত্রীদের দীর্ঘ জট থামছে না।

বিআইডাব্লিউটিএ শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক মো. সোলেইমান বলেন, রাতে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগে বন্ধ হলেও সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি দুই নৌরুটে ৮৫টি লঞ্চ সচল রয়েছে। পাশাপাশি ১৫৫টি স্পিডবোট চলছে। সকাল থেকেই লঞ্চ-স্পিডবোটে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি সুশৃঙ্খলভাবে যাত্রী পারাপারে। বাড়তি যাত্রীর কারণে বেগ পেতে হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

শিমুলিয়া ঘাটে মানুষের ঢল

প্রকাশিত : ১২:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২

ঈদকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের ঢল নেমেছে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। বিশেষ করে মোটরসাইকেলে আসা যাত্রীদের উপচে পড়া ভির সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে পদ্মা পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে ঘাটে আসছেন হাজার হাজার যাত্রী। মোটরসাইকেল ও যাত্রী পারাপারে হিমশিম অবস্থায় ঘাট কর্তৃপক্ষ। ফেরির পাশাপাশি লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটেও যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে পদ্মা পাড়ি দিতে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, যানবাহন পারাপারে একটি রো রো, দুটি মিনি রো রো, দুটি কে টাইপ ও দুটি ডাম্পসহ ১০টি ফেরি চলাচল করছে। বিপুল সংখ্যক মোটরসাইকেল রয়েছে ১নং ফেরিঘাটে। এই ঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে। সকাল থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি কুঞ্জলতা ও ক্যামেলিয়াসহ কয়েকটি ফেরি পারা করছে হাজার হাজার মোটরসাইকেল। এরপরও মোটরসাইকেলের চাপ কমছে না। পন্টুনের অভিমুখ থেকে পার্কিং ইয়ার্ড সড়কে শুধু মোটরসাইকেল।

অন্যদিকে স্পিডবোট ও লঞ্চঘাটেও যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লঞ্চে গাদাগাদি ভিড়, লঞ্চঘাটের অ্যাপ্রোচ সড়ক ও সিঁড়িতে যাত্রীদের দীর্ঘ জট থামছে না।

বিআইডাব্লিউটিএ শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক মো. সোলেইমান বলেন, রাতে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগে বন্ধ হলেও সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি দুই নৌরুটে ৮৫টি লঞ্চ সচল রয়েছে। পাশাপাশি ১৫৫টি স্পিডবোট চলছে। সকাল থেকেই লঞ্চ-স্পিডবোটে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি সুশৃঙ্খলভাবে যাত্রী পারাপারে। বাড়তি যাত্রীর কারণে বেগ পেতে হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর