বাংলাদেশে মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশনের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘গণকমিশনের আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। তারা কাদের নামে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির দায় দিয়েছে, এগুলো আমরা কেউই কোনো তদন্ত করিনি। সুতরাং এ বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না।’
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ২৭তম বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘গণকমিশন একটি বই প্রকাশ করেছে ‘‘২০০৩ এ সন্ত্রাস’’ নামে। বইয়ের ভেতরে কী লিখেছে, তা আমি জানি না। এগুলো আমাদের দেখতে হবে। তারা কাদের নামে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির দায় দিয়েছে, এগুলো আমরা কেউই কোনো তদন্ত করিনি। সুতরাং এ বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না। আমরা না দেখে বলতে পারব না, দেখে বলতে হবে।’
গণকমিশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনে নামার ঘোষণার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ আইন হাতে তুলে নিলে আমাদের যা করণীয় সেটাই করব। এটা স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি। আমরা একটি কথা জোর দিয়ে বলতে চাই- যে অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই, সে অভিযোগ আমরা আমলে নিই না।’
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এবং জাতীয় সংসদের আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক ককাসের যৌথ উদ্যোগে গঠন করা হয় বাংলাদেশে মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সদস্যসচিব ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।
গত ১১ মে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লার কাছে শ্বেতপত্র ও সন্দেহভাজন ১১৬ ইসলামি বক্তার তালিকা হস্তান্তর করে গণকমিশন । এগুলো জাতীয় মানবাধিকার কমিশনেও দেয় এ গণকমিশন।
সে সময় শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ‘আমরা নয় মাস তদন্ত করেছি। বহু ভুক্তভোগীর সাক্ষ্য নিয়েছি। দুদক চেয়ারম্যান আমাদের জানিয়েছেন অর্ধ-শতাধিক ওয়াজ ব্যবসায়ীর দুর্নীতির খোঁজ শুরু করেছেন।’
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















