র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-৩ এর আওতাধীন সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপরাধ চিহ্নিতকরণ, প্রতিরোধ, শান্তি ও জনশৃংখলা রক্ষায় কাজ করছে
র্যাব-৩ ।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৩ গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে,মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।র্যাব-৩ এই সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রদের গ্রেফতারে বিশেষ গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে।
র্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-৩ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য রাত ০১. ঘটিকার সময় সাভার থানার বলিয়ারপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি প্রস্তুতিকালীন সময়ে সংঘবদ্ধ দুর্ধর্ষ ডাকাত দল ‘ঠান্ডা-শামীম বাহিনী’র মূলহোতা মোঃ শামিম সব্দুল (৩০)মোঃ আনিসুর রহমান ঠান্ডা (৪৫)মোঃ সালাউদ্দিন (২৩)মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন (৩১)মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩৫)মোঃ জাহাঙ্গীর সরকার (৪০)মোঃ সজিব ইসলাম (২৫)মোঃ জীবন সরকার (৩৪) শ্রী স্বপন চন্দ্র রায় (২১)মোঃ মিনহাজুর ইসলাম (২০)শ্রী মাধব চন্দ্র সরকার (২৬)ডাকাতদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিকট হতে বিদেশি পিস্তল ০১ টি, পাইপগান ০১ টি, ওয়ান শুটারগান ০২ টি, গুলি ০৬ রাউন্ড, ম্যাগাজিন ০১ টি, শাবল ০১ টি, রশি ০৩ টি, লোহার রড ০১ টি, চাপাতি ০১ টি, রামদা ০২ টি, চাইনিজ কুড়াল ০১ টি, করাত ০১ টি, হাউজ কাটার ০১ টি, ছুরি ০২ টি, টর্চ লাইট ০২ টি, ব্যাগ ১১ টি, হ্যাক্সো ব্লেড ০২ টি, দা ০১ টি, লেজার লাইট ০২ টি, প্লাস ০২ টি, দেশি কুড়াল ০১ টি এবং হাতুরী ০১ টি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ঠান্ডা-শামীম বাহিনীর মূলহোতা শামীম সব্দুল এবং তাদের সেকেন্ড ইন কমান্ড আনিসুর @ ঠান্ডা। তাদের নাম অনুসারে উক্ত বাহিনীর নাম রাখা হয় ঠান্ডা-শামীম বাহিনী।
গ্রেফতারকৃত সালাউদ্দিন ডাকাতির পরিকল্পনা চুড়ান্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। পরবর্তীতে সার্বিক বিচার বিবেচনা করে আনিসুর ঠান্ডা, শামীম এবং সালাউদ্দিন একত্রে বসে ডাকাতির মূল পরিকল্পনা করে।
গ্রেফতারকৃত ইখতিয়ার উদ্দিন উক্ত বাহিনীর অন্যতম সদস্য। সে পেশায় ড্রাইভার। বিভিন্ন সময় ডাকাতির ধরণ অনুযায়ী মিনি ট্রাক/মাইক্রোবাসসহ চাহিদা অনুযায়ী যানবাহন সরবরাহ করে নিজে চালকের ভূমিকা পালন করত।
সাইফুল পেশায় রাজমিস্ত্রি। ডাকাতি করার সময় সে তালা ভাঙ্গা, দেওয়াল ভাঙ্গা, গাড়ীর দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করাসহ ডাকাতির মালামাল বিক্রির দায়িত্ব পালন করে থাকে।
গ্রেফতারকৃত মিনহাজুল এবং মাধব চন্দ্র ‘ঠান্ডা-শামীম বাহিনী’র তথ্যদাতার কাজ করে থাকে।
গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীর পেশায় ইট ভাটার শ্রমিক, সজীব ও জীবন পেশায় গার্মেন্টস শ্রমিক, স্বপন চন্দ্র পরিবহন শ্রমিক।
আনিসুর ঠান্ডা ২০০৪ সাল থেকে ডাকাতি করে আসছে। ২০১৬ সালে শামীম এর সাথে তার পরিচয়ের সূত্রে তারা একসাথে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করতে থাকে। এছাড়াও, ঠান্ডা-শামীম বাহিনী তাদের ডাকাতির ধরণ এবং চাহিদা অনুযায়ী ভাড়ায় লোকবল সংগ্রহ করে থাকে।
গ্রেফতারকৃত ‘ঠান্ডা-শামীম বাহিনী’র মূলহোতা শামীমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ০৭ টি ডাকাতি মামলা ও আনিসুর ঠান্ডা’র বিরুদ্ধে ডাকাতি, মাদক ও বিভিন্ন অপরাধের ০৫ টি মামলা রয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

























